চিকিৎসক দিবসে সুস্থতার মন্ত্র! রোগীদের সুস্থ করার আগে চিকিৎসকরা নিজে কীভাবে ফিট থাকেন?

আজ ১ জুলাই, জাতীয় চিকিৎসক দিবস। চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের নিঃস্বার্থ সেবা ও ত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়। ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে ১৯৯১ সাল থেকে এই দিনটির সূচনা। ২০২৬ সালের চিকিৎসক দিবসের বিশেষ থিম ‘বিহাইন্ড দ্য মাস্ক: হু হিলস দ্য হিলার্স?’ (Behind the Mask: Who Heals the Healers?), যা চিকিৎসকদের নিজেদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার গুরুত্বকে তুলে ধরছে।

রোগীদের সুস্থ থাকতে পরামর্শ দেওয়া চিকিৎসকরা নিজেদের জীবনযাত্রায় ঠিক কী কী মেনে চলেন? জাতীয় চিকিৎসক দিবস উপলক্ষে তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তাঁদের দৈনন্দিন অভ্যাসের কথা শেয়ার করেছেন।

ডা. অমিত গুপ্তার (শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ) সুস্থতার চাবিকাঠি:

পর্যাপ্ত ঘুম: ডা. গুপ্তার মতে, প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুম মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অটুট রাখতে অপরিহার্য।

পুষ্টিকর খাবার: প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে তিনি সবসময় টাটকা শাকসবজি, ফলমূল, দানাশস্য এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের ওপর জোর দেন।

সচল থাকা: দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করার পরিবর্তে তিনি সিঁড়ি ব্যবহারের মতো ছোট ছোট ‘মুভমেন্ট স্ন্যাকস’-এর ওপর গুরুত্ব দেন।

মাইন্ডফুলনেস: দৈনন্দিন মানসিক চাপ কাটাতে তিনি নিয়মিত মাইন্ডফুলনেস চর্চা করেন।

ডা. রাহুল গুপ্তার (হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ) হৃদবান্ধব অভ্যাস:

জল পান: ব্যস্ত শিডিউলের মধ্যেও হাইড্রেশনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন ডা. গুপ্তা। সঠিক পরিমাণে জল পান রক্ত সঞ্চালন ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

হাঁটার অভ্যাস: হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে তিনি প্রতিদিন ৬,০০০ থেকে ১০,০০০ কদম হাঁটার লক্ষ্যমাত্রা রাখেন।

যোগব্যায়াম ও ধ্যান: মানসিক শান্তি ও ধৈর্য বজায় রাখতে তিনি নিয়মিত যোগব্যায়াম ও ধ্যানের পরামর্শ দেন।

ডা. সুলভা অরোরার (ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞ) ফিটনেস রুটিন:
ডা. অরোরা তাঁর ব্যস্ততার মাঝেও ব্যায়ামকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তুলেছেন। তিনি সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ব্যায়াম করেন, যার মধ্যে থাকে:

সপ্তাহে তিন দিন ‘স্ট্রেন্থ ট্রেনিং’।

সপ্তাহে দুই দিন ‘পিলাটিস’ (Pilates)।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *