সুপ্রিম কোর্টে মোটা অংকের বেতনে বড় চাকরির সুযোগ! আবেদনের শেষ তারিখ মিস করলেই পস্তাবেন!

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত বা সুপ্রিম কোর্টে সরকারি চাকরি করার এক সুবর্ণ সুযোগ এসে উপস্থিত হয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থার সর্বোচ্চ সংস্থায় কাজ করতে ইচ্ছুক যোগ্য ও দূরদর্শী প্রার্থীদের জন্য সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন বড় নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সুপ্রীম কোর্টের পক্ষ থেকে ‘কোর্ট মাস্টার (শর্টহ্যান্ড)’ পদের জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই পুরোদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। মোট ২০টি শূন্যপদে এই নিয়োগ করা হবে। সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া প্রার্থীদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও সম্মানজনক কাজের সুযোগ।
সুপ্রিম কোর্টে এই কোর্ট মাস্টার শর্টহ্যান্ড পদে আবেদনের অনলাইন প্রক্রিয়া গত ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আগামী ১৫ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে তাঁদের আবেদন জমা দিতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীদের বয়সসীমা ও বেতন কাঠামো অত্যন্ত আকর্ষণীয় রাখা হয়েছে। আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স অবশ্যই ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষিত শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমায় নির্দিষ্ট ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা পে ম্যাট্রিক্স লেভেল-১১ অনুযায়ী প্রতি মাসে ৬৭,৭০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২,০৮,৭০০ টাকা পর্যন্ত বেতন পাবেন। সঙ্গে মিলবে অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা।
কোর্ট মাস্টার পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীকে দেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে যেকোনো বিষয়ে ন্যূনতম স্নাতক (Graduate) ডিগ্রিধারী হতে হবে। এর পাশাপাশি শর্টহ্যান্ড (Shorthand) এবং টাইপিংয়ের নির্দিষ্ট দক্ষতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে। কোর্ট মাস্টারের প্রধান দায়িত্ব হলো বিচারিক কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনায় আদালতকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা।
আগ্রহী প্রার্থীদের সুপ্রিম কোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন সম্পূর্ণ করতে হবে। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি ভালোভাবে পড়ে নিয়ে আবেদন লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য নথি সঠিকভাবে আপলোড করে ফর্মটি জমা দিতে হবে। শেষ মুহূর্তের সার্ভার বিভ্রাট এড়াতে ১৫ নভেম্বরের আগেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।