‘অবিলম্বে পদত্যাগ করুন CEC!’ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে দিল্লিতে মেগা ধামাকা বিরোধী জোটের!

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা এবং ভোটার তালিকা প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছে জাতীয় রাজধানী নয়াদিল্লি। ‘জ্ঞানেশকাণ্ড’ ইস্যুতে সিইসি-র অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের সুবিশাল মহাসমাবেশ।
রবিবার সকাল থেকেই রামলীলা ময়দান ও তার চারপাশের রাজপথে নামে হাজার হাজার মানুষের ঢল। সাধারণ নাগরিক, বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী ও প্রতিনিধিদের এই বিশাল উপস্থিতি সমাবেশকে এক অভূতপূর্ব রূপ দেয়।
কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে তুলোধোনা জন ব্রিট্টাসের
সমাবেশের মঞ্চ থেকে কেন্দ্র সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে আক্ষরিক অর্থেই বিঁধলেন সিপিআইএম (CPI-M) সাংসদ জন ব্রিট্টাস (John Brittas)। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে তিনি সরাসরি তোপ দাগেন।
জন ব্রিট্টাসের বক্তব্য থেকে উঠে আসা মূল পয়েন্টসমূহ:
-
সিইসি-র ইস্তফা দাবি: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।
-
ভোটের অনিয়ম: নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং কোটি কোটি বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র বরদাস্ত করা হবে না।
-
সংবিধান রক্ষা: কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলিকে চালনা করছে, যার বিরুদ্ধে সারা দেশকে রুখে দাঁড়াতে হবে।
সংসদ থেকে রাজপথ: আরও জোরদার আন্দোলনের হুঙ্কার
রামলীলা ময়দানে অগণিত মানুষের উপস্থিতি এবং বিরোধীদের এই ঐক্যবদ্ধ হুঙ্কার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক সহজে থামছে না। বিরোধী জোটের নেতারা একস্বরে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভোটাধিকার রক্ষার এই লড়াই শুধু রামলীলার মঞ্চেই সীমাবদ্ধ থাকবে না—সংসদ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি কোণায় এই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়বে।
সংবাদের ভাষা বা বিন্যাসে কোনো পরিবর্তন বা অতিরিক্ত তথ্য যোগ করতে চাইলে জানাতে পারেন!