‘জ্ঞানেশকাণ্ডে’ কাঁপছে দিল্লি! রাহুল-মমতা-অখিলেশ এক গাড়িতে, রামলীলা ময়দানের পথেই ঘটে গেল বড় ঘটনা?

লোকসভা নির্বাচন-পরবর্তী জাতীয় রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব ও নাটকীয় দৃশ্যের সাক্ষী থাকল দেশের রাজধানী নয়াদিল্লি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ’ (SIR) ও ‘ভোট চুরির’ অভিযোগে একজোট হয়েছে বিরোধীরা। তবে রামলীলা ময়দানের মহাসমাবেশে পৌঁছানোর আগেই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ধামাকাটি ঘটিয়ে ফেলল ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোট।
একই গাড়িতে সওয়ার হয়ে রামলীলা ময়দানের উদ্দেশে রওনা দিলেন বিরোধীদের শীর্ষ নেতারা। এই এক ফোটো আর এক ফ্রেমেই চড়েছে জাতীয় রাজনীতির পারদ।
এক গাড়িতে ৬ শীর্ষ নেতৃত্ব: কী বার্তা দিতে চাইল বিরোধী জোট?
দিল্লির কনট প্লেস ও মিন্টো রোড পেরিয়ে সমাবেশস্থলে পৌঁছানোর পথে একই গাড়িতে হাসিমুখে পাশাপাশি দেখা গেল—
-
রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)
-
প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)
-
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)
-
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)
-
অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)
-
ফারুক আবদুল্লাহ (Farooq Abdullah)
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দৃশ্য কেবল একটি গাড়ি যাত্রার ছবি নয়; বরং কেন্দ্র ও বিজেপি শাসনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের নিখাদ ও দুর্ভেদ্য ঐক্যের বড়সড় রাজনৈতিক কৌশলগত বার্তা।
জ্ঞানেশকাণ্ড ঘিরে কেন এতটা উত্তপ্ত জাতীয় রাজনীতি?
বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লাখ লাখ বৈধ ভোটারের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ এনেছে ‘ইন্ডিয়া’ মেগাজোট। বিরোধী শিবিরের দাবি, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতেই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত।
দিল্লির মহাসমাবেশ থেকে জোটের নেতারা সরাসরি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি তুলে সরব হয়েছেন। এই ইস্যুতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী কেন্দ্রকে নিশানা করে একের পর এক বিস্ফোরক তোপ দাগছেন।
রামলীলা ময়দান থেকে দিল্লির বার্তা: ‘দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষা’
রামলীলা ময়দানে বিরোধীদের এই ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ প্রমাণ করে দিল, আসন্ন দিনগুলোতে সংসদ থেকে রাজপথ—অনিয়ম ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার বিরুদ্ধে একচুলও জমি ছাড়বে না বিরোধী ফ্রন্ট। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ছাত্র-যুবদের বিশাল জমায়েত বুঝিয়ে দিচ্ছে, এই ক্ষোভ আজ কেবল রামলীলা ময়দানে সীমাবদ্ধ নেই, ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে।
সংবাদের ভাষা, বিন্যাস বা শিরোনামে আরও কোনো পরিবর্তন করতে চাইলে নির্দ্বিধায় জানান