‘পুজোর আগেই হাতে পাবেন…’ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর!

আসন্ন দুর্গাপুজোর আবহেই রাজ্যজুড়ে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনা। এই মেগা প্রকল্পের সুবিধা যাতে যোগ্য প্রাপকদের হাতছাড়া না হয়, সেই বিষয়ে অত্যন্ত তৎপর প্রশাসন। এখনও যেসব যোগ্য আবেদনকারী এই প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা পাননি, তাঁদের জন্য এল অত্যন্ত বড় খবর।
সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ সভা থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ও অন্যান্য সরকারি ভাতা নিয়ে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে স্পষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন।
প্রসেসিং ও ভেরিফিকেশন প্রায় শেষ পর্যায়
শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান, এই প্রকল্পে আবেদনকারীদের ভেরিফিকেশন এবং ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। যাঁরা এখনও পর্যন্ত টাকা পাননি বা যাঁদের আবেদন প্রক্রিয়াধীন (Under Process) ছিল, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই।
“ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলেই যোগ্য প্রতিটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পৌঁছে যাবে। একটিও যোগ্য পরিবার এই প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হবেন না।”
পরিসংখ্যান ও আবেদনের গতিচিত্র
পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানানো হয়, রাজ্যে ইতিমধ্যেই ১ কোটি ৫৮ লক্ষেরও বেশি মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন। এর পাশাপাশি নন্দীগ্রামের এক বিশেষ সভায় জানানো হয়, সেখানেও প্রায় ৭০,৩০০ জন মহিলা ইতিমধ্যে এই সুবিধার আওতায় এসেছেন। বাকি থাকা আবেদনগুলি খতিয়ে দেখে দ্রুত অনুমোদন দেওয়ার কাজ চলছে।
অন্যান্য সামাজিক ভাতাতেও বড় ঘোষণা
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের পাশাপাশি অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্প নিয়েও বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ বার্তার দিকে নজর রাখা হচ্ছে:
-
ভাতা বৃদ্ধি: সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের অধীনে বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী (দিব্যাঙ্গ) ভাতা ৫০০ টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
-
কৃষকদের সহায়তা: পিএম কিষাণ যোজনার আওতায় বার্ষিক আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বাড়িয়ে করা হচ্ছে।
-
আবাস যোজনা: দ্রুত আবাস যোজনার দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ছাড়ার পাশাপাশি লক্ষ লক্ষ পরিবারকে নতুন করে পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
উৎসবের মরসুমে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই ধরনের অগ্রগতি এবং প্রক্রিয়াকরণের খবরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন আবেদনকারী মহিলারা। এখন দেখার, পুজোর দিনগুলিতে বাকি থাকা প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে কত দ্রুত অর্থ পৌঁছায়।