মুম্বইয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন? পকেট খালি হওয়ার আগে এই ৬টি গোপন সত্য না জানলে বড় বিপদে পড়বেন!

বাইরে থেকে মুম্বই শহরকে যতটা চকচকে ও গ্ল্যামারাস মনে হয়, বাস্তবে কি তা সত্যিই এতটা সহজ? বিশাল বড় বড় আকাশছোঁয়া ইমারত, রঙিন নাইটলাইফ আর স্বপ্নের শহর হিসেবে মুম্বইয়ের খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। কিন্তু যাঁরা বাইরে থেকে এসে প্রথমবার এই শহরে থাকার পরিকল্পনা করেন, তাঁদের জন্য এই শহরের আসল রূপটা কেমন, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন তুমুল চর্চা চলছে। গত তিন বছর ধরে মুম্বইয়ে বসবাসকারী এক তরুণী উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর জাহ্নবী শাহ সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি তুলে ধরেছেন আমজনতার এই মায়ানগরীতে টিকে থাকার বেশ কিছু কঠিন ও বাস্তব অভিজ্ঞতা।
জাহ্নবীর মতে, মুম্বইয়ে এসে ঘর খোঁজার সময় শুধু তার সৌন্দর্য দেখলে চলে না, বরং কর্মক্ষেত্র থেকে দূরত্ব কতটা, সেটাই সবচেয়ে বড় বিষয় হওয়া উচিত। কারণ এই শহরে ৮ কিলোমিটার পথ পার হতে যেমন ২০ মিনিট সময় লাগতে পারে, তেমনই ট্রাফিকের জেরে পুরো দিনটাই ক্লান্তিকর হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া শুধু প্রতি মাসের ভাড়ার হিসাব কষে মুম্বইয়ে পা রাখা বোকামি। কারণ বাড়ি পাওয়ার আগেই ডিপোজিট, ব্রোকারেজ, এগ্রিমেন্ট এবং শিফটিংয়ের মতো খরচ আপনার ব্যাংক ব্যালেন্সে বড়সড় ধাক্কা দিতে পারে।
মুম্বইয়ের জীবনযাত্রার আরেকটি মজার দিক তুলে ধরে তিনি জানান, এখানে দূরত্ব কখনও কিলোমিটার দিয়ে মাপা হয় না, বরং গন্তব্যে পৌঁছাতে কত সময় লাগবে, সেটাই আসল মাপকাঠি। পাশাপাশি, রোজকার যাতায়াতে সবসময় ক্যাবের ওপর ভরসা না করে স্থানীয় ট্রেন বা বাসের মতো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করা শেখা জরুরি, নতুবা অল্প দিনেই পকেট ফাঁকা হয়ে যাবে। মুম্বইয়ের ছোট আকারের ঘর এবং সেখানে একটা ছোট্ট ব্যালকনি থাকাও যে কত বড় লাক্সারি, সে কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। সবশেষে সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড দেখে অতিরিক্ত খরচ না করে নিজেদের বাজেট অনুযায়ী জীবন সাজানোর পরামর্শই দিয়েছেন এই তরুণী।