গঙ্গা ও ফুলহরের গ্রাসে বিপর্যস্ত জনজীবন! মালদার রেমন্ড নদীর ভয়ংকর ভাঙনে জলের তলায় একের পর এক বসতি

গঙ্গা ও ফুলহর নদীর জলস্তর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং তীব্র নদীভাঙনের জেরে মালদা জেলার বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। জেলার ভূতনি ও কাটাহা দিয়ারা এলাকার প্রায় ৫৯টি গ্রাম সম্পূর্ণ প্লাবিত হয়ে পড়েছে, যার ফলে চরম বিপাকে সাধারণ মানুষ। নদীর এই আগ্রাসী রূপ ও জনজীবনের এই বিপর্যস্ত ছবি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই আকাশপথে হেলিকপ্টার নিয়ে পরিদর্শনে নেমেছেন সিভিল ডিফেন্সের ডিজি, জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা।
অন্যদিকে, এই দুর্যোগের মধ্যেও থেমে নেই রাজনৈতিক নেতৃত্ব। রতুয়া-১ ব্লকে নিজের এলাকাতেই সম্পূর্ণ জলবন্দি হয়ে পড়েছেন বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়। তবে ঘরবন্দি না থেকে তিনি নৌকা নিয়ে সরাসরি প্লাবিত এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং লাগাতার চালিয়ে যাচ্ছেন জনসংযোগ। স্থানীয় সূত্রে খবর, নদীভাঙনের জেরে শুধু বসতবাড়িই নয়, তলিয়ে গেছে দেড়শো বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক মন্দিরও। মুহূর্তে মুহূর্তে ভাঙনের জেরে নদীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে একের পর এক এলাকা। প্রশাসনিক স্তরে ত্রাণের ব্যবস্থা ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু হলেও নদীভাঙনের ত্রাসে কার্যত দিশেহারা মালদার নদী তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা।