শিক্ষক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ! আরপিএসসি-তে ৪,০৩৭টি শূন্যপদ বৃদ্ধি, মোট ১০,৫৩৭ পদে নিয়োগের ঘোষণা

সরকারি শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখা রাজস্থানের হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর জন্য এল দারুণ সুখবর। রাজস্থান পাবলিক সার্ভিস কমিশন (RPSC) সিনিয়র টিচার (সেকেন্ডারি এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট) নিয়োগের জন্য শূন্যপদের সংখ্যা এক লাফে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। নতুন পদ যুক্ত হওয়ায় এখন মোট শূন্যপদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০,৫৩৭-এ।

শূন্যপদ বৃদ্ধির বিস্তারিত পরিসংখ্যান:
প্রাথমিক বিজ্ঞপ্তিতে ৬,৫০০টি পদ থাকলেও, কমিশন নতুন করে ৪,০৩৭টি পদ যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছেন বিজ্ঞান, গণিত, হিন্দি এবং ইংরেজি বিষয়ের প্রার্থীরা। বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

বিজ্ঞান: ১,৩৫৫ থেকে বেড়ে ২,২৬০ (৯০১টি বৃদ্ধি)

গণিত: ১,৩৮৫ থেকে বেড়ে ২,১৮১ (৭৯৬টি বৃদ্ধি)

হিন্দি: ১,০৫২ থেকে বেড়ে ১,৮৬৫ (৮১৩টি বৃদ্ধি)

ইংরেজি: ১,৩০৫ থেকে বেড়ে ২,০০৭ (৭০২টি বৃদ্ধি)

সংস্কৃত: ৯৪০ থেকে বেড়ে ১,৩২৩ (৩৮৩টি বৃদ্ধি)

সমাজবিজ্ঞান: ৪০১ থেকে বেড়ে ৮০২ (৪০১টি বৃদ্ধি)

উর্দু: ৪৮ থেকে বেড়ে ৮২ (৩৪টি বৃদ্ধি)

পাঞ্জাবি: ১১ থেকে বেড়ে ১৪ (৩টি বৃদ্ধি)

(সিন্ধি ও গুজরাটি বিষয়ে শূন্যপদ অপরিবর্তিত রয়েছে)

পরীক্ষার সময়সূচি ও শর্তাবলি:
আরপিএসসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, শুধুমাত্র পদের সংখ্যাই বাড়ানো হয়েছে। নিয়োগের যোগ্যতা, নির্বাচন প্রক্রিয়া, সংরক্ষণ বিধি এবং অন্যান্য কোনো শর্তে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে এই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন ও পরীক্ষার ধরণ:
লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হবে এবং এরপর সফল প্রার্থীদের নথিপত্র যাচাই করা হবে। পরীক্ষার ধরণ দুই ভাগে বিভক্ত:

পেপার-১ (২০০ নম্বর): মোট ১০০টি প্রশ্ন, সময় ২ ঘণ্টা। বিষয়—রাজস্থানের ইতিহাস, ভূগোল, সংস্কৃতি, সাধারণ জ্ঞান, সাম্প্রতিক ঘটনাবলী এবং শিক্ষাগত মনোবিজ্ঞান।

পেপার-২ (৩০০ নম্বর): মোট ১৫০টি প্রশ্ন, সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। বিষয়—সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর স্নাতক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের জ্ঞান এবং শিক্ষণ পদ্ধতি।

পরামর্শ:
নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য এবং বিভাগ অনুযায়ী সংশোধিত তালিকা দেখতে প্রার্থীদের কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষার জন্য হাতে সময় খুব কম, তাই এখন থেকেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে জোর দেওয়ার সময়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *