সঙ্গীকে এসএমএস করার সময় যে বিষয়গুলো জানতে হবে আপনাকে, দেখুন

দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে আমরা সবাই কম বেশি এসএমএস করে থাকি। টেক্সট করি আপনি আমি সবাই। সময় বাঁচাতে বা বেকায়দায় পরে কল দেওয়া সম্ভব না হলে তখন দ্রুত একটা টেক্সট পাঠিয়ে দেওয়াটাতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে থাকি অনেকেই।

তবে সঙ্গীকে এসএমএস করার সময় লক্ষ্য রাখুন কিছু বিষয় সঙ্গীকে এসএমএস করার সময় আজকাল সরাসরি কথা বলার চেয়েও প্রয়োজনীয় কথাগুলো প্রিয় মানুষের সঙ্গে মেসেজ টেক্সটেই বেশি হয়। সঙ্গীকে মেসেজ করার সময় মাথায় রাখুন কিছু বিষয়-

>>> মেসেজ লেখায় প্রায়ই বানান ভুল করেন না তো? সেন্ড করার আগে একবার দেখে নিন।

>>> টেক্সটে হালকা হাসি-মশকরা করতেই পারেন। তবে তার মাত্রা থাকতে হবে।

>>> ইমোজি ব্যবহার করার দিকেও সচেতন হোন। নইলে বলতে চাইবেন এক রকম, বোঝাবে আরেক রকম।

>>> দুই-একবার মেসেজ পাঠানোর পরও যদি অপর দিক থেকে উত্তর না আসে, তবে বার বার মেসেজ দেবেন না। তিনি হয়তো কোনো কাজে ব্যস্ত রযেছেন।

>>> মেসেজে কথায়-কথায় অভিমান-অভিযোগ নয়।

>>> কোনো কারণে মনোমালিন্য হলে, বারবার এটা সামনে আনবেন না।

>>> বিশেষ করে ঝগড়ার পরে সঙ্গী কী ধরনের কথা বলেন এটা বুঝে তার মতো করেই উত্তর দিন।

>>> যদি বোঝেন কোনো কথায় সঙ্গী বিব্রত হচ্ছেন কথা বলতে, তার চাওয়াকে সম্মান করুন। বিষয়টি এড়িয়ে যান, তাকে বিব্রত করবেন না।

>>> সম্পর্ক থেকে ইগো দূরে রাখুন, প্রয়োজনে নিজে থেকে মেসেজ করুন। তবে সঙ্গীকেও মাঝে মাঝে সুযোগ দিন। আর নিজের গুরুত্বটাও বোঝার চেষ্টা করুন।

>>> সম্পর্ক খুব স্পর্শকাতর। ভালোবাসার মানুষটির মন-মেজাজ, তার অবস্থান, ব্যস্ততা সব কিছু মাথায় রেখেই মেসেজ করুন। সুস্থ-সুন্দর যোগাযোগই ভালোবাসার স্থায়ী সম্পর্ক ধরে রাখতে সাহায্য করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *