নভেম্বরে কবে ঢুকবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩০০০ টাকা? বিরাট আপডেট জানলে মহিলারা আনন্দে নাচবেন!

উৎসবের আমেজ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়ে গেছে নভেম্বর মাস। সামনেই কালীপুজো ও দীপাবলি। আর এই উৎসবের মরসুমেই রাজ্যের কোটি কোটি নারীর মনে ঘুরপাক খাচ্ছে একটাই প্রশ্ন— চলতি মাসের ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ (Annapurna Yojana)-র আর্থিক সহায়তার ৩,০০০ টাকা ঠিক কবে তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হবে? পাশাপাশি, এই প্রকল্পের নতুন আবেদন এবং নাম তোলানো নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই।
কবে ঢুকবে নভেম্বরের টাকা?
সরকারি সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এই প্রকল্পের টাকা সাধারণত প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হয়। উল্লেখ্য, গত অক্টোবর মাসে পুজোর ঠিক আগে চতুর্থী ও পঞ্চমীর শুভলগ্নে বাংলার ১ কোটি ৬২ লক্ষেরও বেশি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৩,০০০ টাকা করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে যাঁরা এখনও পর্যন্ত একবারও এই প্রকল্পের টাকা পাননি, তাঁদের একাংশের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভও দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি নভেম্বর মাসে সুবিধাভোগী মহিলাদের এই সংখ্যা আরও অনেকটাই বৃদ্ধি পেতে পারে।
নতুন আবেদনকারীদের জন্য দারুণ সুযোগ
যাঁরা এখনও পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাননি, তাঁদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাঁদের জন্য ফের একবার বিশেষ সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, আগামী নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসজুড়ে রাজ্যজুড়ে ফের তিন দিনের বিশেষ ‘জনকল্যাণ শিবির’ আয়োজন করা হবে। যদিও এই শিবিরগুলির নির্দিষ্ট দিনক্ষণ বা চূড়ান্ত তারিখ এখনও সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে এই শিবির চালু হলে সেখান থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনা এবং বার্ধক্য ভাতা-সহ একাধিক জনমুখী প্রকল্পে নতুন করে আবেদন করা যাবে।
ভাতার ক্ষেত্রে বড় সতর্কতা ও কেওয়াইসি (KYC) আপডেট
এদিকে, গত মাস থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের তালিকা স্বচ্ছ রাখতে নতুন করে ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। তালিকায় থাকা অযোগ্য বা ভুয়া উপভোক্তাদের এই প্রকল্প থেকে ছেঁটে ফেলার প্রক্রিয়া চলছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন থেকে বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে:
উপভোক্তাদের নিজ নিজ ব্যাঙ্কের কেওয়াইসি (KYC) এবং ডিবিটি (DBT) লিঙ্ক ঠিকঠাক আছে কিনা, তা দ্রুত যাচাই করে নেওয়া দরকার।
একই সঙ্গে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে যে, কোনো মহিলা যদি একসঙ্গে একাধিক সরকারি ভাতা বা পেনশন পেয়ে থাকেন, তবে তার মধ্যে একটি ভাতা অবিলম্বে ‘সারেন্ডার’ বা বাতিল করতে হবে। অন্যথায় সরকারি নিয়মকানুনের জেরে দুটি ভাতাই বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।