পডকাস্ট থেকে প্রশ্নের উত্তর— আরবিআই বদলে ফেলছে ডিজিটাল দুনিয়া! বিশাল টেন্ডার ডাকল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

ডিজিটাল যুগে আমজনতার কাছে সরাসরি ও দ্রুত পৌঁছাতে এবার মাস্টারস্ট্রোক দিতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের উপস্থিতি আরও বেশি শক্তিশালী ও সুসংহত করতে নতুন একটি পেশাদার সোশ্যাল মিডিয়া এজেন্সি নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের এই সর্বোচ্চ আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
স্মার্ট যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং গ্রাহক সচেতনতা বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই একটি আনুষ্ঠানিক টেন্ডার (EOI) প্রকাশ করা হয়েছে।
এজেন্সির মূল কাজ ও দায়িত্ব
চুক্তির প্রস্তাবনা ও শর্তাবলী অনুযায়ী, নির্বাচিত এজেন্সিকে আরবিআই-এর ডিজিটাল উপস্থিতি বৃদ্ধিতে বহুমাত্রিক ভূমিকা পালন করতে হবে:
-
২৪ ঘণ্টার সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্র্যাটেজি: ২৪ ঘণ্টা অনলাইন নজরদারি ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর কৌশল তৈরি।
-
পডকাস্ট ও ডিজিটাল কনটেন্ট: রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জটিল আর্থিক নিয়মকানুন ও সচেতনতামূলক বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে সহজ ভাষায় তুলে ধরতে পডকাস্ট, ইনফোগ্রাফিক্স এবং আকর্ষক ক্রিয়েটিভ তৈরি।
-
প্রশ্নোত্তর ও ডেটা অ্যানালিসিস: বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জিজ্ঞাসাগুলোর সরাসরি জবাব দেওয়া এবং ডেটা অ্যানালিসিস করে প্রচারের সাফল্য পরিমাপ করা।
-
জরুরি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ: কোনো ভুল তথ্য ছড়ালে বা ক্রিয়েটিভ পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে দ্রুত প্রোফাইল থেকে কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়া কিংবা নতুন রূপ দেওয়ার দায়িত্ব পালন।
টেন্ডার প্রক্রিয়া ও আবেদনের সময়সীমা
বিডিং প্রক্রিয়াটি সেন্ট্রাল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (CPP) পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রধানত দুটি ধাপে (টেকনিক্যাল এবং কমার্শিয়াল বিড) অনুষ্ঠিত হবে। টেকনিক্যাল মূল্যায়নে উত্তীর্ণ সংস্থাগুলির মধ্যে যারা সবচেয়ে সাশ্রয়ী বা সর্বনিম্ন মূল্যের (L1) প্রস্তাব দেবে, তাদের হাতেই তুলে দেওয়া হবে এই মেগা চুক্তি।
টেন্ডারের গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ
| বিষয় | সময় ও তারিখ |
| টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু | ৭ অক্টোবর |
| আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ | ৬ নভেম্বর (দুপুর ১২টা পর্যন্ত) |
| বিড খোলার তারিখ | ৯ নভেম্বর (দুপুর ১২টা) |
| আবেদনের মাধ্যম | সেন্ট্রাল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট পোর্টাল |
সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাংক সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়াতে এবং ভুল তথ্য রোধ করতেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন আর্থিক বিশেষজ্ঞরা।