“পরের স্টেশন…” মেট্রোতে উঠেই হঠাৎ যখন আকাশ থেকে পড়ল নাতির খসে! শम्मी নারংয়ের এই ভাইরাল ভিডিও দেখলে চোখ ভিজে যাবে

দিল্লি মেট্রো (Delhi Metro) মানেই হামেশাই কোনো না কোনো অদ্ভুত ঘটনা, সিট নিয়ে মারপিট কিংবা ভাইরাল ক্লিপের ছড়াছড়ি। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিদিন খবরের শিরোনামে থাকে মেট্রোর অন্দরের নানা কিতাবখানা। তবে এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একটি দৃশ্য সামনে এসেছে, যা কোনো বিতর্ক নয়, বরং সাধারণ মানুষের মন কেড়ে নিয়েছে এক নিমেষে। ঝগড়াঝাঁটির পরিবর্তে এই ভিডিওটি তুলে ধরেছে এক অত্যন্ত সুন্দর, আবেগঘন ও মিষ্টি সম্পর্কের গল্প।

দাদুর গলায় বুঁদ ছোট্ট নাতি!
দিল্লি মেট্রোয় যাতায়াত করেছেন অথচ ‘পরের স্টেশন রাজীব চক…’ কিংবা এমন ঘোষণা শোনেননি, এমন মানুষ পাওয়া ভার। দূরদর্শনের সোনালী দিন থেকেই খবরের কাগজ পড়া থেকে শুরু করে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে রাজ করা কিংবদন্তি নিউজ রিডার শम्मी নারং (Shammi Narang)-ই হলেন দিল্লি মেট্রোর সেই বিখ্যাত ও চেনা হিন্দী কণ্ঠস্বরের মালিক।

সম্প্রতি শम्मी নারং তাঁর ছোট নাতি রুশানকে (Rushan) সঙ্গে নিয়ে জীবনে প্রথমবারের মতো দিল্লি মেট্রোয় চড়েন। মেট্রো ট্রেনটি প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে এগোতেই লাউডস্পিকারে বেজে ওঠে সেই পরিচিত ঘোষণা। ঘরের অন্দরে পরম স্নেহে কথা বলা নিজের ‘দাদু’র কণ্ঠস্বর যখন পুরো ট্রেনে গর্জমান হয়ে বেজে উঠল, তখন ছোট্ট রুশানের অবাক হওয়ার পালা! দাদাভাইয়ের এই জাদুকরি কণ্ঠস্বর হুবহু মেট্রোয় শুনে চোখ কপালে ওঠে শিশুটির। তার চোখেমুখে তখন এক অদ্ভুত বিস্ময় আর খুশির ঝিলিক।

আবেগঘন বার্তা ও নেটদুনিয়ার প্রতিক্রিয়া
এই স্পেশ্যাল মুহূর্তটিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে শम्मी নারং একটি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী নোট লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, “হতে পারে আমি সবসময় এই মেট্রো ট্রেনে সশরীরে চড়ব না… কিন্তু এই ভেবে আমার ভীষণ গর্ব হয় যে, আমার কণ্ঠস্বর এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে এভাবেই সফর করতে থাকবে।”

ভিডিওটি সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গেই নেটদুনিয়ায় হু হু করে ভাইরাল হয়ে যায়। ৮০ ও ৯০-এর দশকের সেই নস্টালজিয়া ভিড় করে আসে মানুষের মনে, যখন মানুষ টিভির পর্দায় শम्मी নারংয়ের গমগমে গলায় খবর শুনতেন। কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা একবাক্য স্বীকার করেছেন যে, দাদু-নাতির এই দুর্লভ ও আবেগঘন মুহূর্তটি সত্যিই গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো এবং অত্যন্ত সুন্দর।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *