মহাযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু! ৬ অক্টোবর ভোটের আগে দুই হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করে মাস্টারস্ট্রোক দিল ঘাসফুল শিবির

রাজ্য রাজনীতিতে ফের একবার ভোটের উত্তাপ! আগামী ৬ অক্টোবর হতে চলা নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের জন্য রবিবার নিজেদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ ও অনুপ্রেরণায় এই দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য জোড়াফুল শিবিরের প্রার্থীর নাম সামনে আনা হয়েছে।
এই উপনির্বাচনের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ দিক একনজরে দেখে নিন:
-
কারা লড়ছেন কোন কেন্দ্র থেকে? তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, হাইপ্রোফাইল নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে লড়বেন সঞ্চিতা প্রধান (দে) এবং রেজিনগর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রবিউল আলম চৌধুরী।
-
ভোট ও গণনার তারিখ: নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর এই দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর।
-
অন্যান্য দলের প্রার্থীরা: শুধু তৃণমূলই নয়, এই উপনির্বাচনে বিরোধী দলগুলিও কোমর বেঁধে নেমেছে। কংগ্রেসের টিকিটে রেজিনগরে লড়ছেন মহম্মদ আবদুল্লাইল কাফি এবং নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছেন মিলন প্রধান। অন্যদিকে, সিপিআই(এম) রেজিনগরে অ্যাডভোকেট সঈদ আসাদ আলি এবং সিপিআই নন্দীগ্রামে শান্তি গোপাল গিরিকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে।
-
কেন হচ্ছে এই উপনির্বাচন? রাজনৈতিক সমীকরণের জেরে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—উভয় আসনটিই শূন্য হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারী এবং হুমায়ুন কবীরের পদত্যাগের ফলেই এই দুই বিধানসভায় ফের উপনির্বাচনের প্রয়োজন পড়েছে।
-
রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে: নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিরোধী দলগুলি শাসক শিবিরকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে। বিশেষ করে নন্দীগ্রামের উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে জোরদার বিতর্ক শুরু হয়েছে।
আগামী ৬ অক্টোবরের এই উপনির্বাচন রাজ্য রাজনীতির পরবর্তী গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের!