১০ বছরের সাজা মাথায় নিয়ে আত্মসমর্পণের নির্দেশ! সুপ্রিম কোর্টের ধাক্কায় বড় বিপদে তরুণ তেজপাল

২০১৩ সালের বহুল আলোচিত গোয়া যৌন নিগ্রহ মামলায় প্রাক্তন ‘তেহেলকা’ সম্পাদক তরুণ তেজপালকে বড়সড় ধাক্কা দিল দেশের শীর্ষ আদালত। মামলার রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও, আত্মসমর্পণ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সারেন্ডার সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার পরেই তাঁর আপিলের শুনানি হবে।
বম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ গত ৬ আগস্ট এক রায়ে ২০২১ সালের গোয়া সেশনস কোর্টের দেওয়া তরুণ তেজপালের বেকসুর খালাসের রায় খারিজ করে দেয়। প্রায় এক দশক পুরনো ওই মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে ফৌজদারি আপিল করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্টে আপিলের শুনানি যাতে অবাধে গ্রহণ করা হয়, সেই কারণে আত্মসমর্পণের নির্দেশ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আর্জি জানিয়েছিলেন প্রাক্তন তেহেলকা সম্পাদক।
তবে শুনানির সময় তেজপালের এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে গোয়া রাজ্য সরকার। তাদের বক্তব্য ছিল, আইনি আপিলের পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগে অভিযুক্তের অবিলম্বে আত্মসমর্পণ করা বাধ্যতামূলক। উভয় পক্ষের সওয়াল শোনার পরই সুপ্রিম কোর্ট তাঁর আর্জি খারিজ করে দিয়ে দু’সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের ওই নির্দেশ দেয়।