ডাস্টবিনে যায় না একটাও ল্যাংচা! শক্তিগড়ের মিষ্টি ব্যবসায়ীদের এই কৌশল দেখলে মাথা ঘুরে যাবে

  • দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাতায়াত করলেই শক্তিগড়ের নাম মনে ভেসে ওঠে। সুস্বাদু ল্যাংচার টানে গাড়ি থামান না এমন পর্যটক মেলা ভার। লোকমুখে শোনা যায়, এই ছোট্ট জনপদে প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দেড় লক্ষ ল্যাংচা তৈরি হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, পুজো বা ছুটির দিন বাদ দিলে প্রতিদিন কি সত্যিই এত মিষ্টি বিক্রি হয়? যদি বিক্রি না হয়, তবে কি হাজার হাজার ল্যাংচা ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়?

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ল্যাংচা সহজে নষ্ট হয় না। কারণ এটি ময়দা, ছানা ও ক্ষোয়া দিয়ে তৈরি করে প্রথমে ডুবো তেলে ভাজা হয় এবং পরে চিনির রসে চুবিয়ে রাখা হয়। এর ফলে খোলা বাতাসে ৩-৪ দিন এবং ফ্রিজে ৭-৮ দিন পর্যন্ত এগুলি দিব্যি ভালো থাকে। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, দোকানদারদের বিশেষ ব্যবসায়িক কৌশলের কারণে একটা ল্যাংচাও নষ্ট হয় না। পুরনো ল্যাংচা রিসাইকেল করে নতুন মিষ্টি তৈরি থেকে শুরু করে রাতেরবেলায় পাইকারি কম দামে বিক্রি—নানা উপায়ে এই অপচয় রোধ করা হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *