চিংড়ির একঘেয়ে পদ আর নয়! ঝটপট বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন রেস্তোরাঁ স্টাইলের জিভে জল আনা ‘কচুপাতা চিংড়ি’!

চিংড়ি মাছ খেতে ভালোবাসে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া ভার। তবে বাড়িতে চিংড়ি মাছ আনলেই যে সবসময় গতানুগতিক ভাপা বা সর্ষে দিয়েই রাঁধতে হবে, তার কোনো মানে নেই। পাতে একটু নতুনত্ব ও ভিন্ন স্বাদের ছোঁয়া আনতে চাইলে সামান্য কিছু উপকরণ দিয়েই ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারেন জিভে জল আনা ‘কচুপাতা চিংড়ি’। হঠাৎ বাড়িতে অতিথি চলে এলে কী রান্না করবেন তা নিয়ে আর দুশ্চিন্তা না করে, এই সুস্বাদু পদটি দিয়ে সহজেই তাক লাগিয়ে দিতে পারেন।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
কচুপাতা: ১০টি
কুচো চিংড়ি: ৫০০ গ্রাম
সর্ষের তেল: ২০০ গ্রাম
সর্ষে: ৩০ গ্রাম
কাজুবাদাম: ১০ গ্রাম
পোস্ত: ২০ গ্রাম
নারকেল কোরা: ১ কাপ
কাঁচালঙ্কা: ৫টি
নুন ও চিনি: স্বাদমতো
হলুদ গুঁড়ো: ২ চা চামচ
পাতিলেবু: ১টি
রান্নার সহজ প্রণালী
১. মাছ প্রস্তুতকরণ: প্রথমে চিংড়ি মাছগুলি ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন।
২. পাতা ভাপানো: কচুপাতাগুলি ভালোভাবে ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে নিন। এরপর সামান্য নুন ও পাতিলেবুর রস মেশানো গরম জলে পাতাগুলি হালকা ভাপিয়ে নিতে হবে।
৩. চিংড়ি ভাজা: কড়াইতে পর্যাপ্ত সর্ষের তেল গরম করে নিন। তেল গরম হলে তাতে চিংড়ি মাছগুলি হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন।
৪. মশলা কষানো: ওই তেলেই একে একে কাঁচালঙ্কা বাটা, কাজুবাদাম বাটা, পোস্ত বাটা এবং সর্ষে বাটা দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। যতক্ষণ না চিংড়ি মাছ ভালোভাবে সেদ্ধ হচ্ছে, মশলা সমেত রান্নাটি করতে থাকুন।
৫. মিশ্রণ তৈরি: রান্নার এই পর্যায়ে পরিমাণমতো নুন, সামান্য চিনি এবং নারকেল কোরা মিশিয়ে দিন।
৬. শেষ পর্যায়: তরকারি নামানোর ঠিক মিনিট দুয়েক আগে আগে থেকে ভাপিয়ে রাখা কুচি করা কচুপাতাগুলি এর মধ্যে দিয়ে দিন। সমস্ত উপকরণ ভালোভাবে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিন। রান্নার স্বাদ বাড়াতে উপর থেকে কিছুটা কাঁচা সর্ষের তেল ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
ব্যাস! গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে পরিবেশনের জন্য একেবারে প্রস্তুত রেস্তোরাঁ স্টাইলের সুস্বাদু ‘কচুপাতা চিংড়ি’।