পর্দায় তাঁরা সুপারস্টার, ব্যক্তিগত জীবনে ‘বাবার আদরের সন্তান’! বলিউডের ৭ সেরা বাবা-সন্তানের জুটির রসায়ন

গ্ল্যামার দুনিয়ার চাকচিক্য আর শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও তারকারা যখন বাড়ির অন্দরমহলে ফেরেন, তখন তাঁরাও সাধারণ মানুষ। আর সেই ব্যক্তিগত জীবনে তাঁদের সাফল্যের অন্যতম স্তম্ভ হলো তাঁদের বাবা। আজ বাবা-সন্তানের সম্পর্ক নিয়ে কথা বললে, বলিউডে এমন কিছু জুটি রয়েছে যাঁরা একে অপরের অনুপ্রেরণা। দেখে নেওয়া যাক বলিউডের ৭টি সেরা বাবা-সন্তান জুটির কিছু অদেখা সমীকরণ।

১. আলিয়া ভাট ও মহেশ ভাট: কেরিয়ারের শুরুতে বাবার ছায়া থেকে বেরিয়ে নিজের পরিচিতি তৈরি করলেও, আজ মহেশ ভাট ও আলিয়া একে অপরের সবচেয়ে বড় মেন্টর। একে অপরের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই তাঁদের জুটিকে অনন্য করেছে।

২. দীপিকা পাড়ুকোন ও প্রকাশ পাড়ুকোন: প্রকাশ পাড়ুকোনের মতো একজন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদের কঠোর শৃঙ্খলা ও নম্রতাই আজ দীপিকার সাফল্যের চাবিকাঠি। গ্ল্যামার দুনিয়ার শীর্ষে থেকেও বাবা প্রকাশ পাড়ুকোনের জীবনবোধই দীপিকার জীবনের প্রধান চালিকাশক্তি।

৩. রণবীর কাপুর ও ঋষি কাপুর: ঋষি কাপুর ছিলেন রণবীরের জীবনের সবচেয়ে বড় সমালোচক। তাঁর কড়া শাসনই রণবীরকে আজকের পরিণত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে। বাবার চলে যাওয়ার পর রণবীরের কথায় স্পষ্ট, ঋষি কাপুরের আদর্শই তাঁর অনুপ্রেরণা।

৪. শ্রদ্ধা কাপুর ও শক্তি কাপুর: পর্দায় শক্তি কাপুর ভিলেন বা কমেডিয়ান হিসেবে পরিচিত হলেও, বাস্তবে তিনি শ্রদ্ধার সেরা বন্ধু। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের মজার রিলস ও ছবি থেকেই স্পষ্ট তাঁদের বন্ডিং কতটা গভীর।

৫. অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন: বলিউডের শাহেনশা ও অভিষেক—সম্পর্কটা কেবল বাবা-ছেলের নয়, বরং দুই বেস্ট ফ্রেন্ডের। অভিষেকের প্রতিটা সাফল্যে অমিতাভের গর্ব এবং অভিষেকের কাছে অমিতাভের অনুপ্রেরণা টিনসেল টাউনের অন্যতম সেরা উদাহরণ।

৬. অনিল কাপুর ও সোনম কাপুর: স্টাইল ও এনার্জিতে অনিল ও সোনম বলিউডের সবথেকে জনপ্রিয় বাবা-মেয়ের জুটি। অনিল কাপুরের চিরযৌবনা লাইফস্টাইল ও সোনমের ফ্যাশন সেন্স মিলেমিশে তৈরি হয়েছে তাঁদের দুর্দান্ত কেমিস্ট্রি।

৭. শত্রুঘ্ন সিনহা ও সোনাক্ষী সিনহা: শত্রুঘ্ন সিনহা তাঁর আদরের মেয়ে সোনাক্ষীর সবচেয়ে বড় সাপোর্ট সিস্টেম। সোনাক্ষীর ব্যক্তিগত জীবনে নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্তের পাশে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে থেকে শত্রুঘ্ন বারবার প্রমাণ করেছেন, বাবা হিসেবে তিনি কতটা আধুনিক ও সুরক্ষাদায়ী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *