ভাতা নিয়ে বড় সুখবর! বার্ধক্য, বিধবা ও যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিল রাজ্য সরকার

রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নতুন সরকার জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে নতুন রূপ দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। সম্প্রতি ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র মাধ্যমে রাজ্যের ৫০ লক্ষেরও বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩,০০০ টাকা করে সরাসরি হস্তান্তর (DBT) শুরু হয়েছে, যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে খুশির হাওয়া। এই সাফল্যের পরেই এবার বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং যুবসাথী প্রকল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে বড় ঘোষণা করল সরকার।
বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা নিয়ে আশার কথা:
দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্য এবং বিধবা ভাতার জন্য অপেক্ষারত উপভোক্তাদের জন্য সুখবর দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি সম্প্রতি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই রাজ্যে বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা প্রদান প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। সংশ্লিষ্ট দফতর ইতিমধ্যেই দ্রুত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজ হাতে নিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এই প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ পূর্বের ১,০০০ টাকা বহাল থাকবে, নাকি তা বৃদ্ধি করা হবে, সে বিষয়ে মন্ত্রী এখনও কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা করেননি।
যুবসাথী প্রকল্প ও সমীক্ষা:
বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য রাজ্যের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ‘যুবসাথী’ প্রকল্প নিয়েও মন্ত্রী বড় বার্তা দিয়েছেন। দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, যুবকদের ভাতা দেওয়ার বিষয়টি সরকারের গুরুত্বের তালিকায় রয়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পের রূপরেখা ও যোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির জন্য সমীক্ষার কাজ চলছে। সমীক্ষা শেষ হলেই ধাপে ধাপে এই ভাতার সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ও বার্ধক্য ভাতার সংযোগ:
পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তা এবং সামাজিক সুরক্ষার রূপরেখা নিয়ে সরকার বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত মহিলারা ৬০ বছর বয়সের পর বার্ধক্য ভাতার যোগ্য হবেন, তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাও পাবেন। এর ফলে বয়স্ক নাগরিকদের সামাজিক সুরক্ষা বলয় আরও মজবুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছানো শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। এখন বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা পুনরায় চালু হলে রাজ্যের লক্ষাধিক উপভোক্তার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।