আজই কি কুর্সি ছাড়ছেন সিদ্দারামাইয়া? মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে হাইভোল্টেজ প্রাতরাশ বৈঠক!

কর্ণাটকের রাজনীতিতে এখন চরম অনিশ্চয়তা। সিদ্দারামাইয়া মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। আজ সকালে তাঁর বাসভবনে মন্ত্রিসভার সদস্য এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে একটি প্রাতরাশ বৈঠক শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই নিজের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেন।
দিল্লি সফরের পরেই জল্পনা তুঙ্গে
গত মঙ্গলবার সিদ্দারামাইয়া এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার দিল্লিতে কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের সঙ্গে দেখা করার পর থেকেই ইস্তফার জল্পনা নতুন মাত্রা পায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, আজ বিকেলের মধ্যেই রাজ্যপালের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। আর তেমনটা ঘটলে ডি কে শিবকুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথ অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
হাইকম্যান্ডের পরিকল্পনা ও সিদ্দারামাইয়ার অবস্থান
কংগ্রেসের অন্দরমহল সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দারামাইয়াকে ইস্তফার বিনিময়ে রাজ্যসভার সদস্য করার পরিকল্পনা রয়েছে হাইকম্যান্ডের। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে তাঁকে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় দেখতে চাইছে কংগ্রেস। তবে এনডিটিভি-র খবর অনুযায়ী, সিদ্দারামাইয়া নিজে জাতীয় রাজনীতিতে খুব একটা আগ্রহী নন। মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে হলে তিনি আপাতত বিধায়ক হিসেবেই বর্তমান বিধানসভার বাকি দুই বছর কাটিয়ে দিতে ইচ্ছুক।
ঘটনাক্রমের দিকে নজর
গতকাল পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা সিদ্দারামাইয়ার বাসভবনে গিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন। অন্যদিকে, উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠক করে এসেছেন। সব মিলিয়ে কর্ণাটকের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামোয় যে বড়সড় পরিবর্তনের হাওয়া বইছে, তা স্পষ্ট।