“মানুষের রায় আমাদেরই দিকে!” ২০০ পারের বার্তা মমতার? ভোট দিতে এসে শোরগোল ফেলে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো!

২০২৬-এর ভাগ্যনির্ধারণী ভোটযুদ্ধ কি শেষ হতে চলেছে একতরফা ফলাফলে? বুধবার ভোটগ্রহণ চলাকালীন নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে বেরিয়ে আসার পর এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুরে ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি কেবল জয়ের দাবিই করলেন না, বরং একধাপ এগিয়ে বুঝিয়ে দিলেন যে, বিরোধীদের জমি স্রেফ ধুয়েমুছে সাফ হতে চলেছে।
বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠতার হুঙ্কার: এদিন মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোটদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী দেখায় তৃণমূল নেত্রীকে। তিনি সগর্বে ঘোষণা করেন, “আমরা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের সরকার গঠন করব।” রাজনীতির কারবারিদের মতে, ২১০ থেকে ২২০টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেই এই ‘দুই-তৃতীয়াংশ’র ম্যাজিক ফিগারের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
বিরোধী শিবিরের প্রতিক্রিয়া: মমতার এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই পাল্টা তোপ দেগেছে বিজেপি এবং বাম-কংগ্রেস শিবির। গেরুয়া শিবিরের দাবি, “হার নিশ্চিত জেনেই তৃণমূল নেত্রী নিজের কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে এই ধরণের দাবি করছেন।” যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন মেজাজ হারাননি। তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাজ্যের মা-মাটি-মানুষের উন্নয়নের ওপরেই তাঁর এই অগাধ বিশ্বাস।
ডেইলিয়ান্ট স্পেশাল নোট: ২০২১ সালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক এভাবেই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ২১৩টি আসন দখল করেছিলেন। এবারের ২০২৬-এর মহারণে যখন চারদিকে দুর্নীতির অভিযোগ আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাপট নিয়ে চর্চা তুঙ্গে, তখন তাঁর এই “দুই-তৃতীয়াংশ” সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি রাজনৈতিক মহলে বড়সড় জল্পনা উসকে দিল।
এখন প্রশ্ন একটাই— ৪ তারিখের ফলাফল কি সত্যিই দিদির এই ভবিষদ্বাণীর সঙ্গে মিলবে? না কি গেরুয়া শিবিরের ‘টার্গেট ২০২৬’ সফল হবে?