ভোটের আগে বনগাঁ সীমান্তে টানটান উত্তেজনা! ৩৬টি ‘খোলা মুখ’ নিয়ে চরম উদ্বেগে কমিশন!

দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোটের আগে বঙ্গে নিরাপত্তার মহাপ্রস্তুতি! প্রথম দফার অশান্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আরও কঠোর নির্বাচন কমিশন। বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ‘খোলা মুখ’ বা ওপেন বর্ডার দিয়ে অনুপ্রবেশ রুখতে বনগাঁ থেকে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল

সীমান্তে ৩৬টি ‘ডেঞ্জার জোন’!

মনোজ আগরওয়াল জানান, সীমান্ত এলাকায় ৩৬টি এমন পয়েন্ট রয়েছে যেগুলি খোলা। এই পথ দিয়ে অনুপ্রবেশ বা ভোটের সময় নাশকতার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না কমিশন। বিএসএফ-কে ইতিমধ্যেই হাই-অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। তৈরি হয়েছে অতিরিক্ত চেকপোস্ট। সীমান্ত পেরিয়ে কেউ যাতে ভোট প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটাতে না পারে, তার জন্য চলছে কড়া তল্লাশি।

বুথ কাঁপাতে ৪০ হাজার বাহিনী!

প্রথম দফায় ৪৫ হাজার বাহিনী থাকলেও, দ্বিতীয় দফায় মোতায়েন থাকছে ৪০ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকার আয়তন কম হওয়ায় এই সংখ্যাটি নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করছে কমিশন।

  • হটস্পট জেলা: দক্ষিণ কলকাতা, হাওড়া এবং নদিয়া জেলাকে ‘সংবেদনশীল’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

  • রিজার্ভ ফোর্স: যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে একদল পর্যবেক্ষককে ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রাখা হয়েছে।

হামলা হলেই পাল্টা কড়া ব্যবস্থা!

প্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেন আগরওয়াল। সেই সাথে উপদ্রবকারীদের উদ্দেশ্যে তাঁর কড়া হুঁশিয়ারি, “ভবিষ্যতে যদি কেউ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে ফল হবে মারাত্মক। কঠোর ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।” ### ভোটারদের জন্য অভয়বাণী: ভোটগ্রহণের আগে প্রতিটি বুথ স্যানিটাইজ করা হবে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাল্টি-লেয়ার চেকিং ব্যবস্থা চালু থাকছে। নির্ভয়ে বুথে এসে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার আর্জি জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।