রাজ্যসভায় বড় চমক তৃণমূলের! বাদ পড়ছেন সাকেত-ঋতব্রত? টিকিট পাচ্ছেন কোন হেভিওয়েট সাংবাদিক?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মহারণের আগে বাংলার রাজনৈতিক ময়দান এখন সরগরম রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচন নিয়ে। আগামী মার্চ মাসেই পশ্চিমবঙ্গের চারটি রাজ্যসভা আসনের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। আর এই চার আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাদের পাঠাবেন, তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে জল্পনা তুঙ্গে। তবে সবথেকে বড় চমক হিসেবে উঠে আসছে এক নামী সাংবাদিকের নাম।
রাজনৈতিক মহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, বিদায়ী সাংসদ তথা সমাজকর্মী সাকেত গোখলেকে এবার আর টিকিট নাও দিতে পারে ঘাসফুল শিবির। তাঁর পরিবর্তে সংবাদমাধ্যমের কোনও পরিচিত মুখকে সংসদের উচ্চকক্ষে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে শীর্ষ নেতৃত্ব। তৃণমূলের ইতিহাসে সাংবাদিকদের রাজ্যসভায় পাঠানো নতুন কিছু নয়— কুণাল ঘোষ থেকে সাগরিকা ঘোষ, এই তালিকায় এবার নতুন কে যুক্ত হন, সেটাই দেখার। যদিও সেই সাংবাদিকের নাম নিয়ে অভিষেক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন।
অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁকে এবার আর রাজ্যসভায় না পাঠিয়ে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে সরাসরি লড়াইয়ের ময়দানে নামাতে চায় দল। তাঁর বাগ্মিতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে বিধানসভায় কাজে লাগাতে আগ্রহী তৃণমূল নেতৃত্ব। মৌসম বেনজির নূরের আসনেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে; মালদা-মুর্শিদাবাদের সংখ্যালঘু সমীকরণ মাথায় রেখে সেখানে কোনও নতুন মহিলা মুখ দেখা যেতে পারে। এমনকি প্রবীণ নেতা সুব্রত বকসির পুনর্মনোনয়ন নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। সব মিলিয়ে, বিধানসভা ভোটের আগে এই রাজ্যসভা নির্বাচনকে তৃণমূল নিজেদের ঘর গোছানোর মোক্ষম সুযোগ হিসেবে দেখছে।