মেয়ের বান্ধবীকে খাবারের লোভ দেখিয়ে ‘একাধিকবার ধর্ষণ’! জলপাইগুড়িতে পকসো আইনে দোষীর ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে জলপাইগুড়ির বিশেষ পকসো আদালত এক দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করল। একইসঙ্গে দোষীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে আদালত।
ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছর ৪ অক্টোবর জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর এলাকায়। কোতোয়ালি থানার পুলিশ ৯ বছর বয়সী এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত আজিদার রহমান-কে গ্রেফতার করে।
নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের মেয়ের বান্ধবীকে খাবারের প্রলোভন দিয়ে বাড়িতে ডেকে এনে একবার, দু’বার নয়— একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আজিদারকে গ্রেফতার করা হয় এবং জলপাইগুড়ির বিশেষ পকসো আদালতে মামলা শুরু হয়।
মামলার শুনানিতে মোট ৯ জনের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শুক্রবার (আজ) আদালত দোষী সাব্যস্ত আজিদার রহমানকে ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের শাস্তি শোনায়।
জলপাইগুড়ি পকসো আদালতের সহকারী সরকারি আইনজীবী দেবাশীষ দত্ত জানিয়েছেন, দোষীকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অনাদায়ে আরও দুই মাস অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়াও, বিচারক নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের জন্য ডিস্ট্রিক্ট লিগাল সার্ভিস অথরিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এই রায়ে নাবালিকার পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে।