বাজারে আসছে সুজুকির প্রথম দুর্দান্ত ইলেকট্রিক গাড়ি! এক চার্জেই ছুটবে ৩১০ কিমি, জানুন স্পেশাল ফিচার্স

জনপ্রিয় জাপানি অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা সুজুকি তাদের প্রথম ব্যাটারি-ইলেকট্রিক ‘কেই কার’ (kei car) ক্যাটাগরির গাড়ি ‘e Sky’ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে। জাপানের আল্ট্রা-কম্প্যাক্ট ভেহিকেল নিয়মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই ইভিটি চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যে জাপানে লঞ্চ হতে চলেছে। এর আগে ২০২৫ জাপান মোবিলিটি শো-তে ‘ভিশন ই স্কাই’ কনসেপ্ট হিসেবে গাড়িটির প্রথমঝলক সামনে এসেছিল, আর এবার প্রোডাকশন-স্পেক মডেলটি প্রায় সেই একই ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজের ওপর ভর করে আত্মপ্রকাশ করেছে। এক্সটেরিওর ও ডিজাইনসুজুকি ই স্কাই-এর বাইরের ডিজাইনটি বেশ লম্বা ও বক্সি শেপের, যার ফলে গাড়ির ভেতর পর্যাপ্ত কেবিন স্পেস পাওয়া যায় অথচ রাস্তায় এর বাহ্যিক আকার বেশ ছোট ও কম্প্যাক্ট থাকে। এর সামনে রয়েছে স্কয়ার প্রজেক্টর LED হেডল্যাম্প, LED ডেটাইম রানিং লাইট এবং হ্যালোজেন ইনডিকেটর। কনসেপ্ট মডেলে ফুল-প্রস্থের LED লাইট বার থাকলেও, প্রোডাকশন মডেলে তার বদলে দেওয়া হয়েছে একটি ব্ল্যাক টেক্সচার্ড প্যানেল, যাতে একটি ক্যামেরা মডিউল যুক্ত রয়েছে। গাড়ির সাইড প্রোফাইল বেশ ব্যবহারিক এবং সোজা ধাঁচের, যাতে দুই পাশে দুটি দরজা এবং প্রমিনেন্ট হুইল আর্চ দেওয়া হয়েছে। পেছনের অংশে রয়েছে র্যাপ্যারাউন্ড LED টেইল-ল্যাম্প, রিভার্স লাইট এবং একটি রুফ স্পয়লার। এছাড়া টেলগেট হ্যান্ডেলের কাছে যুক্ত করা হয়েছে আরও একটি এক্সট্রা ক্যামেরা। ইন্টেরিয়র ও আধুনিক ফিচার্সই স্কাই-এর কেবিনটি বেশ আধুনিক ও কার্যপোযোগী করে সাজানো হয়েছে। এর ড্যাশবোর্ডে রয়েছে একটি বড় সেন্ট্রাল টাচস্ক্রিন, ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্টজনপ্রিয় জাপানি অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা সুজুকি তাদের প্রথম ব্যাটারি-ইলেকট্রিক ‘কেই কার’ (kei car) ক্যাটাগরির গাড়ি ‘e Sky’ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে। জাপানের আল্ট্রা-কম্প্যাক্ট ভেহিকেল নিয়মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই ইভিটি চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যে জাপানে লঞ্চ হতে চলেছে। এর আগে ২০২৫ জাপান মোবিলিটি শো-তে ‘ভিশন ই স্কাই’ কনসেপ্ট হিসেবে গাড়িটির প্রথমঝলক সামনে এসেছিল, আর এবার প্রোডাকশন-স্পেক মডেলটি প্রায় সেই একই ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজের ওপর ভর করে আত্মপ্রকাশ করেছে। এক্সটেরিওর ও ডিজাইনসুজুকি ই স্কাই-এর বাইরের ডিজাইনটি বেশ লম্বা ও বক্সি শেপের, যার ফলে গাড়ির ভেতর পর্যাপ্ত কেবিন স্পেস পাওয়া যায় অথচ রাস্তায় এর বাহ্যিক আকার বেশ ছোট ও কম্প্যাক্ট থাকে। এর সামনে রয়েছে স্কয়ার প্রজেক্টর LED হেডল্যাম্প, LED ডেটাইম রানিং লাইট এবং হ্যালোজেন ইনডিকেটর। কনসেপ্ট মডেলে ফুল-প্রস্থের LED লাইট বার থাকলেও, প্রোডাকশন মডেলে তার বদলে দেওয়া হয়েছে একটি ব্ল্যাক টেক্সচার্ড প্যানেল, যাতে একটি ক্যামেরা মডিউল যুক্ত রয়েছে। গাড়ির সাইড প্রোফাইল বেশ ব্যবহারিক এবং সোজা ধাঁচের, যাতে দুই পাশে দুটি দরজা এবং প্রমিনেন্ট হুইল আর্চ দেওয়া হয়েছে। পেছনের অংশে রয়েছে র্যাপ্যারাউন্ড LED টেইল-ল্যাম্প, রিভার্স লাইট এবং একটি রুফ স্পয়লার। এছাড়া টেলগেট হ্যান্ডেলের কাছে যুক্ত করা হয়েছে আরও একটি এক্সট্রা ক্যামেরা। ইন্টেরিয়র ও আধুনিক ফিচার্সই স্কাই-এর কেবিনটি বেশ আধুনিক ও কার্যপোযোগী করে সাজানো হয়েছে। এর ড্যাশবোর্ডে রয়েছে একটি বড় সেন্ট্রাল টাচস্ক্রিন, ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এবং থ্রি-স্পোক স্টিয়ারিং হুইল। কেবিনের জায়গা বাড়াতে গিয়ার বা ড্রাইভ সিলেক্টরটি সরাসরি ড্যাশবোর্ডেই রাখা হয়েছে। গাড়িতে অটোমেটিক ক্লাইমেট কন্ট্রোল, পুশ-বাটন স্টার্ট/স্টপ এবং দুর্দান্ত ভিহিকেল-টু-লোড (V2L) ফাংশনালিটি দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে গাড়ির ব্যাটারি থেকেই বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস চালানো সম্ভব হবে। এছাড়া সিটগুলোতে ইন্টিগ্রেটেড হেডরেস্ট ও ফ্যাব্রিক আপহোল্ডারি ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাটারি ও ড্রাইভিং রেঞ্জসুজুকি যদিও এই ইভির সঠিক পাওয়ারট্রেন স্পেসিফিকেশন এখনও পুরোপুরি প্রকাশ করেনি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এতে ফ্রন্ট-মাউন্টেড ইলেকট্রিক মোটর থাকতে পারে যা প্রায় ৬৪ হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপন্ন করবে। জাপানের কেই-কার নিয়ম মেনেই শক্তি সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। ভিশন ই স্কাই কনসেপ্টে ২৭০ কিলোমিটারের বেশি রেঞ্জের দাবি করা হলেও, প্রোডাকশন মডেলে এটি বাড়িয়ে প্রায় ৩১০ কিলোমিটার ড্রাইভিং রেঞ্জ টার্গেট করা হয়েছে। এদিকে ভারতে মারুতি সুজুকি Y2V কোডনেমে একটি সাশ্রয়ী মূল্যের ইলেকট্রিক হ্যাচব্যাক নিয়ে কাজ করছে। সুজুকি ই স্কাই-এর প্রোফাইল সেই প্রজেক্টের সঙ্গেই বেশ মিলে যায়, যা ভবিষ্যতে ভারতীয় বাজারে এই ধরনের সাশ্রয়ী ইভি আসার জল্পনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। রাখা হয়েছে। গাড়িতে অটোমেটিক ক্লাইমেট কন্ট্রোল, পুশ-বাটন স্টার্ট/স্টপ এবং দুর্দান্ত ভিহিকেল-টু-লোড (V2L) ফাংশনালিটি দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে গাড়ির ব্যাটারি থেকেই বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস চালানো সম্ভব হবে। এছাড়া সিটগুলোতে ইন্টিগ্রেটেড হেডরেস্ট ও ফ্যাব্রিক আপহোল্ডারি ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাটারি ও ড্রাইভিং রেঞ্জসুজুকি যদিও এই ইভির সঠিক পাওয়ারট্রেন স্পেসিফিকেশন এখনও পুরোপুরি প্রকাশ করেনি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এতে ফ্রন্ট-মাউন্টেড ইলেকট্রিক মোটর থাকতে পারে যা প্রায় ৬৪ হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপন্ন করবে। জাপানের কেই-কার নিয়ম মেনেই শক্তি সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। ভিশন ই স্কাই কনসেপ্টে ২৭০ কিলোমিটারের বেশি রেঞ্জের দাবি করা হলেও, প্রোডাকশন মডেলে এটি বাড়িয়ে প্রায় ৩১০ কিলোমিটার ড্রাইভিং রেঞ্জ টার্গেট করা হয়েছে। এদিকে ভারতে মারুতি সুজুকি Y2V কোডনেমে একটি সাশ্রয়ী মূল্যের ইলেকট্রিক হ্যাচব্যাক নিয়ে কাজ করছে। সুজুকি ই স্কাই-এর প্রোফাইল সেই প্রজেক্টের সঙ্গেই বেশ মিলে যায়, যা ভবিষ্যতে ভারতীয় বাজারে এই ধরনের সাশ্রয়ী ইভি আসার জল্পনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।