OMG! ৪ সন্তানের মা, ৪৩ বছর বয়সে পালিয়ে গেলেন মেয়ের শ্বশুরের সঙ্গে, শোরগোল ঘটনায়

উত্তরপ্রদেশে একের পর এক পারিবারিক সম্পর্কের বাঁধন ভাঙার ঘটনা সামনে আসছে। সম্প্রতি আলিগড়ে হবু জামাইয়ের সঙ্গে এক মহিলার পলায়নের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বাদাউনে ঘটল আরও এক বিস্ময়কর কাণ্ড। অভিযোগ, চার সন্তানের জননী নিজের স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের ফেলে রেখে পালিয়ে গেছেন খোদ মেয়ের শ্বশুরের সঙ্গে। এই ঘটনায় এলাকায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪৩ বছর বয়সি মমতা নামের ওই মহিলা ৪৬ বছর বয়সি শৈলেন্দ্র ওরফে বিল্লুর সঙ্গে পালিয়েছেন। শৈলেন্দ্র সম্পর্কে মমতার বিবাহিত মেয়ের শ্বশুর। মমতার স্বামী সুনীল কুমারের অভিযোগ, তিনি পেশায় ট্রাকচালক এবং কাজের সূত্রে মাসে দু’বার বাড়িতে আসেন। তাঁর অনুপস্থিতিতেই মমতা শৈলেন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং তাকে বাড়িতে ডেকে নিতেন। মমতার এক ছেলেও অভিযোগ করেছে, শৈলেন্দ্র বাড়িতে এলে তার মা তাকে অন্য ঘরে চলে যেতে বলতেন।

পারিবারিক সূত্রে খবর, ২০২২ সালে মমতার এক মেয়ের বিয়ে হয়। সেই সূত্রে মেয়ের শ্বশুর শৈলেন্দ্রর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে মমতার। পরিবারের সদস্যদের বাধা এড়াতেই দুজনে একসঙ্গে পালানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্রাকচালক সুনীল কুমারের দাবি, তিনি নিয়মিতভাবে পরিবারকে টাকা পাঠাতেন। তাঁর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়েই তাঁর স্ত্রী শৈলেন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন এবং যখন তিনি বাড়িতে থাকতেন না, তখন শৈলেন্দ্রকে ডেকে পাঠাতেন। সুনীলের আরও অভিযোগ, বাড়িতে থাকা টাকা ও সোনার গয়না নিয়েই শৈলেন্দ্রের সঙ্গে পালিয়েছেন মমতা।

এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শৈলেন্দ্র যেহেতু সুনীলদের আত্মীয় ছিলেন, তাই তার নিয়মিত যাতায়াত নিয়ে প্রাথমিকভাবে কেউই সন্দেহ করেননি।

এই ঘটনায় সুনীল কুমার স্থানীয় থানায় শৈলেন্দ্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। দাতাগঞ্জ এলাকার পুলিশ আধিকারিক কে কে তেওয়ারি জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।