“পার্কে প্রেমিক–প্রেমিকা দেখলেই যেন পেটাতে না আসে”- ‘বিবাহিত’ দিলীপকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখলেন দেবাংশু

বৈশাখ মাসেই দিলীপ ঘোষের জীবনে বসন্তের ছোঁয়া। দীর্ঘদিনের আরএসএসের প্রচারক থেকে এখন তিনি ঘোর সংসারী। শুক্রবার গোপীবল্লভপুরের ‘নাড়ু’ সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন। দিলীপ ঘোষের এই বয়সে বিয়েকে সমর্থন জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এসেছে শুভেচ্ছা।
তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “যাঁরা কাজে ব্যস্ততায় হয়ত কিছুটা দেরি করে ফেলেছেন, যাঁদের আজও একটু বেশি বয়সে কাউকে মনে ধরে, যাঁরা আজও সংকোচে থাকেন, সমাজের কাছে পছন্দ লুকিয়ে রাখেন, ‘লোকে কী ভাববে’ ভাবতে ভাবতে শেষে একলাই জীবনটা কাটিয়ে দেন, তাঁদের আজ সাহস যুগিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ।” দেবাংশুর এই পোস্টের সুরেই শনিবার এক্স হ্যান্ডেলে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানালেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
দেবাংশু তাঁর ফেসবুক পোস্টে আরও লেখেন, “প্রমাণ করে দিলেন প্রেমের বয়স হয় না, ভালবাসার বয়স হয় না, বিয়েরও বয়স হয় না। বয়স একটা সংখ্যা মাত্র! সমাজের এই অদৃশ্য দেওয়ালটা ভেঙে দেওয়ার জন্য দিলীপদাকে বুক ভরা অভিনন্দন।” দিলীপ ঘোষের বিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা দিলীপবাবুর নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
দেবাংশু তাঁর পোস্টে দিলীপ ঘোষকে পরামর্শ দিয়ে লেখেন, “ভালো থাকুন দুজনে। ধূসর দিলীপ ঘোষের জীবনের বাকি দিনগুলো আগাপাশতলা রঙিন হয়ে উঠুক। একজন তৃণমূল কর্মীর শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। আর হ্যাঁ, আপনার বজরং দলের ছেলেদের একটু বলে দেবেন পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা দেখলেই যেন পেটাতে না আসে। আজকের দিনে পার্কের গুরুত্ব তো আপনার থেকে ভালো কেউ জানে না.. তাই না দিলীপদা?”
বিয়ের দিন দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলীপ ঘোষের নিউটাউনের বাড়িতে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে দিলীপ-রিঙ্কুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, “নতুন জীবন সুন্দরভাবে শুরু করার জন্য দিলীপ ঘোষ ও রিঙ্কু মজুমদারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। ভালবাসার নিজস্ব সময় ও লয় থাকে। আপনাদের একসঙ্গে পথচলা সেই সত্যিকারের ভালবাসারই প্রমাণ। আপনাদের জীবনে যেন আনন্দ, শান্তি ও সহচর্য চিরকাল স্থায়ী হয়—এই শুভকামনা রইল।”