ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ -র বড় অবদান, কলকাতার মানুষ উপকার পাচ্ছে এই ‘বিষ’ থেকে! জেনেনিন বিস্তারিত

কলকাতার বাতাস কালীপুজোর পরেও স্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রক পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, শহরের বাতাসের গুণমান সূচক (AQI) সন্তোষজনক থেকে মডারেট পর্যন্ত রয়েছে।
চক্রবাত দানা বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে।বন্যা পরিস্থিতির কারণে খড় পোড়ানো কম হয়েছে। হিমেল হাওয়া প্রবেশ না করাও বাতাসের গুণমান ভালো রাখতে সাহায্য করেছে।
পরিবেশকর্মী বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায় মনে করেন, এই পরিস্থিতি চক্রবাত দানা, খড় পোড়ানো কম হওয়া এবং হিমেল হাওয়া না আসার ফলে সৃষ্টি হয়েছে।
ফোর্ট উইলিয়াম, রবীন্দ্রভারতী, রবীন্দ্র সরোবর, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল সংলগ্ন এলাকা।বিড়লা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল মিউজিয়াম এবং যাদবপুরের ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সাইন্স (IACS)-এর কাছাকাছি।বেলুড় মঠ এবং ঘুসুরি সংলগ্ন এলাকার বাতাস মডারেট, পদ্মপুকুর অটোমেটিক স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাতাস সন্তোষজনক।
কলকাতার বাতাসের গুণমান বর্তমানে ভালো রয়েছে, যা একটি স্বস্তির খবর। তবে এই পরিস্থিতি কতদিন থাকবে তা নিশ্চিত নয়। পরিবেশকে সুস্থ রাখতে আমাদের সকলকেই সচেতন হতে হবে এবং দূষণ কমাতে পদক্ষেপ নিতে হবে।