চার টুকরো করে সাংসদের মুণ্ডু ফেলা হয়, জোর তল্লাশির পরেও মিলল না দেহাংশ!

পেশাদার খুনিদের মতোই ছিল আমানুল্লাদের সাংসদ খুনের ঘটনায় পরিকল্পনা। ক্লোরোফর্ম, চপার, ট্রলি ব্যাগ, পলিথিনের প্যাকেট জোগাড় করাই শুধু নয়, সেই পরিকল্পনা কার্যকর করার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল কসাই জাহিরকে। সঙ্গে রাখা হয় কিলিং টিমের আরও তিনজনকে। যারা দেহ লোপাট করার বিষয়ে সাহায্য করতে পারেন।

এই ঘটনার তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন আরও একটা কারণে, সেটা হলো, দেহাংশ সরিয়ে ফেলার ফুলপ্রুফ প্ল্যান। ৫৬ বছর বয়সি আনোয়ারুল আজিম আনারের দেহ মাংসের কিমার মতো টুকরো করার আগে দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয় মাথা। তারপর খুলি চার টুকরো করা হয়। এরপর দেহের চামড়া ছাড়িয়ে হাড়গুলো আলাদা করে দেন জাহির।

পেশায় মাংসের কারবারি হওয়ায় তার এই কাজ করতে কোনও অসুবিধে হয়নি বলে ধারণা গোয়েন্দাদের।
সোমবার এক তদন্তকারী বলেন, ‘এরকম ঘটনা আগেও ঘটেছে। কিন্তু মাংসের ছোট ছোট কিমার মতো টুকরোগুলো ব্যাগ এবং প্যাকেটে ভরে সরানোর পাশাপাশি হাড়গুলো আলাদা জায়গায় ফেলার সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যায়, এর পিছনে কোনও পাকা মাথা কাজ করেছে। কারণ, খুনের তদন্তে মাংসের টুকরোর চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হাড় উদ্ধার হওয়া। তাতে সাংসদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে ডিএনএ ম্যাচ করানো ফরেন্সিক পরীক্ষাতেই সম্ভব। দেহাংশ উদ্ধার হলেও এতদিনে তা পচে যাওয়ায় তা খুব একটা কাজে লাগবে বলে মনে হয় না।’

আমানুল্লাহ একজন পেশাদার খুনিদের মতো পরিকল্পনা করেছিলেন।কসাই জাহিরকে দেহ লোপাট করার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল।আনোয়ারুল আজিম আনারের দেহ মাংসের কিমার মতো টুকরো করে ফেলা হয়েছিল।জাহির পেশায় মাংসের কারবারি হওয়ায় এই কাজে দক্ষ ছিলেন।