. “মুখ্যমন্ত্রী যেটা বলছেন…”! বাবরি মসজিদ বিতর্কে কি হঠাৎ ব্যাকফুটে হুমায়ুন? ৬ ডিসেম্বরের আগে বড় চমক!

মুর্শিদাবাদের মাটিতে বাবর নামাঙ্কিত প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণ, প্রশাসনিক অনুমতি এবং আগামী ৬ ডিসেম্বরের নির্ধারিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনার পারদ নতুন করে চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তার পর এই বিতর্কে নওদার বিধায়ক তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হুমায়ুন কবীরের ভূমিকা ও পরবর্তী অবস্থান নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, ভারতের ইতিহাসে কোনো আক্রমণকারী বা লুটেরার নামে কোনো প্রকার ধর্মীয় বা সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। মসজিদ নির্মাণে আপত্তি না থাকলেও ‘বাবর’ নামটি সরানোর বিষয়ে রাজ্য সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থানের পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করে—তবে কি এবার কিছুটা পিছু হটছেন হুমায়ুন কবীর, নাকি এটি তাঁর কোনো বড়সড় রাজনৈতিক কৌশলের অংশ?
ঠিক কী জানালেন হুমায়ুন কবীর?
প্রশাসনিক অনুমতি না মেলা এবং বিতর্কিত নাম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবীর জানান, আইন ও সংবিধাইন মেনে যে কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ার অধিকার ভারতের প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে। তবে নাম নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা প্রসঙ্গে কিছুটা নমনীয় সুর শোনা গেলেও তিনি স্পষ্ট করেন যে নির্মাণকাজ আটকে রাখা অনুচিত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিক থেকে আগামী ৬ ডিসেম্বরের কর্মসূচিকে সামনে রেখে যেমন প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে সরকারি অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টিকে আইনি ও রাজনৈতিক দুই দিক থেকেই জিইয়ে রাখার চেষ্টা করছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বার্তার পর তিনি অবস্থান পুরোপুরি বদলে ফেলেছেন নাকি আলোচনার মাধ্যমে পথ খুঁজছেন, তা নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলা ছাড়িয়ে গোটা রাজ্য রাজনীতিতেই এখন তুমুল জল্পনা।