মাত্র দুই বছরেই বিরাট বিপ্লব! ফ্লিপকার্ট মিনিটস-এর ব্যবসা চার গুণ বাড়তেই চমকে গেল তাবড় ব্যবসায়ীরা!

পথচলার মাত্র দুই বছর পূর্ণ করতেই দেশের ই-কমার্স এবং কুইক কমার্স বাজারে বিরাট ঝড় তুলল ফ্লিপকার্ট মিনিটস (Flipkart Minutes)। ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে পরিষেবা শুরু হওয়ার পর থেকে অবিশ্বাস্য গতিতে এগিয়ে চলেছে এই প্ল্যাটফর্ম। সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ফ্লিপকার্ট মিনিটস-এর ব্যবসা প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশের ১৫০টিরও বেশি শহরে প্রায় ১,২০০টি মাইক্রো-ফুলফিলমেন্ট সেন্টারের মাধ্যমে এই পরিষেবা সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

ছোট শহরে কুইক কমার্সের রমরমা: মেট্রো সিটির গণ্ডি পেরিয়ে ফ্লিপকার্ট মিনিটস এখন ছোট শহরগুলিতেও দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আম্বালা, বারাবাঁকি, ভাগলপুর, দুর্গাপুর, কানপুর, শিলিগুড়ি এবং সালেমের মতো টিয়ার-২ ও টিয়ার-৩ শহরগুলিতে গত এক বছরে গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ২৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সমস্ত অঞ্চলে শুধু দৈনন্দিন জিনিসপত্রই নয়, কোরিয়ান নুডলস, প্রিমিয়াম স্কিনকেয়ার এবং রেডি-টু-ইট মিলের মতো আধুনিক পণ্যের চাহিদা আকাশছোঁয়া।

জেন-জি (Gen Z) প্রজন্মের ক্রেতাদের ক্রেজ: ফ্লিপকার্ট মিনিটস-এর গ্রোথ মডেলে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করছে তরুণ প্রজন্ম বা জেন-জি। গত ১২ মাসে এই প্রজন্মের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৫ গুণ বেড়েছে। বিউটি, ইলেকট্রনিক্স, গেমিং, ওয়্যারেবলস এবং হেলথ কেয়ার বিভাগের মোট অর্ডারের ৪৫ শতাংশের বেশি আসছে জেন-জি গ্রাহকদের কাছ থেকে। এমনকি প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে বড় একক অর্ডারটির মূল্য ছিল প্রায় ৬ লাখ টাকা, যার মধ্যে পাঁচটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন অন্তর্ভুক্ত ছিল।

কর্মসংস্থান ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ: ব্যবসার পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরিতেও বড় অবদান রেখেছে এই প্ল্যাটফর্ম। সূচনার পর থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৪ লাখেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, প্রায় ৫০০টি ডিটুসি (D2C) ব্র্যান্ড এবং কৃষক সংগঠনের (FPO) সঙ্গে হাত মিলিয়ে স্থানীয় ব্যবসার প্রসারেও জোর দেওয়া হচ্ছে। ডেলিভারি ব্যবস্থাকে পরিবেশবান্ধব করতে ইলেকট্রিক ভেহিকল এবং বায়োডিগ্রেডেবল প্যাকেজিং ব্যবহার করছে ফ্লিপকার্ট মিনিটস, যা ভবিষ্যতের কুইক কমার্স বাজারকে সম্পূর্ণ নতুন দিশা দেখাচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *