‘১১-১২ বার ডেকে পাঠাচ্ছেন, আর ওরা বুক ফুলিয়ে ঘুরছে!’ সিবিআই-ইডি-র তদন্ত নিয়ে বিস্ফোরক বিজেপি নেতা!

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডির ভূমিকা নিয়ে এবার এক অত্যন্ত জোরালো ও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন বিশিষ্ট বিজেপি প্রতিনিধি স্বপন দাশগুপ্ত। জনপ্রিয় টেলিভিশন শো ‘ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন’-এ এসে তিনি কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, সিবিআই বা ইডির কাছে বিচারাধীন যে সমস্ত মামলা রয়েছে, তার তদন্ত যত দ্রুত সম্ভব শেষ করা উচিত। দীর্ঘসূত্রিতা এড়ানোর পক্ষে সওয়াল করে তিনি বলেন, “সিবিআই-ইডি-র কাছে থাকা কেসের তদন্ত শেষ করুন, নয়তো… এভাবে ১১, ১২ বা ১৩ বার এক একজনকে ডেকে পাঠাবেন, আর তাঁরা জেরার পর ৮-৯ ঘণ্টা বাদে বুক ফুলিয়ে মানুষের কাছে গিয়ে কথা বলবেন—এটা দেখতে আমাদেরও আর ভালো লাগছে না।” বারবার তলব করার এই দীর্ঘ প্রক্রিয়া বন্ধ করে সরাসরি চূড়ান্ত আইনি পদক্ষেপ করার ওপরই জোর দিয়েছেন তিনি।

মাঝরাতে গ্রেফতার পূর্ব মেদিনীপুরের হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা পীযূষ পণ্ডা

কেন্দ্রীয় এজেন্সির তরজাপের মাঝেই রাজ্য রাজনীতিতে বড়সড়ো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে। দুর্নীতির একটি পুরনো মামলায় গভীর রাতে পুলিশ গ্রেফতার করেছে কাঁথি সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন সভাপতি তথা প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা পীযূষ পণ্ডাকে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিধানসভা ভোটে লড়াই করেছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে তাঁর এই গ্রেফতারি নিয়ে তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনো কিছু দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে পাকড়াও করা হয়েছে। অথচ এই গ্রেফতারির মাত্র দুদিন আগেই ফেসবুক লাইভ করে স্থানীয় পুলিশের বিরুদ্ধে লাগাতার অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছিলেন এই তৃণমূল নেতা। এমনকি পুলিশের অতিসক্রিয়তার প্রতিবাদে প্রয়োজনে ধর্নায় বসারও হুঙ্কার দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই হুশিয়ারির ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই গভীর রাতে আচমকা তাঁকে গ্রেফতার করায় শাসকদলের অন্দরে এবং বিরোধী শিবিরে প্রবল রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *