মাঘেই বিদায় নিচ্ছে শীত? হাড়কাঁপানি ঠান্ডার বদলে কেন ঘামছে বাংলা, জানাল হাওয়া অফিস!

মাঘের শুরুতেই উধাও শীতের সেই পরিচিত দাপট। দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ থাকলেও উধাও হয়েছে হাড়কাঁপানি কনকনে ঠান্ডা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের মতে, একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবেই শীতের এই ছন্দপতন। আজ শুক্রবার আকাশ পরিষ্কার থাকলেও রোদের তেজ থাকবে অনেকটা বেশি। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৭ এবং ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে।

বর্তমানে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতের জম্মু-কাশ্মীরে অবস্থান করছে। আজ আবার নতুন করে একটি ঝঞ্ঝা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি উত্তর প্রদেশ থেকে কর্ণাটক পর্যন্ত বিস্তৃত অক্ষরেখা এবং বিহারের ওপর থাকা ঘূর্ণাবর্তের জেরে বঙ্গে উত্তুরে হাওয়ার প্রবেশ পথ কার্যত রুদ্ধ। ফলে সন্ধ্যা ও ভোরে হালকা ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়লেই উধাও হচ্ছে শীত। তাপমাত্রার পারদ স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত ২ ডিগ্রি ওপরে ঘোরাফেরা করছে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির ঘরে থাকলেও পশ্চিমের জেলাগুলোতে পারদ ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে।

উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি অবশ্য কিছুটা আলাদা। আগামী পাঁচদিন তাপমাত্রার বড় কোনো পরিবর্তন না হলেও দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সবথেকে বড় খবর হলো, দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে হতে পারে দু-এক পশলা বৃষ্টি। কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পর্যটকদের জন্য তুষারপাত সুখবর নিয়ে এলেও, দক্ষিণবঙ্গবাসীর জন্য মাঘের এই গরম অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।