মৃত্যুর ঠিক ৫ দিন আগে বড় চাল! অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার নেপথ্যে কি তবে গভীর ষড়যন্ত্র?

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে অজিত পাওয়ারের মৃত্যু কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়, বরং এক রহস্যময় অধ্যায়ের সূচনা বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, মৃত্যুর ঠিক কয়েক দিন আগেই বড়সড় রাজনৈতিক রদবদলের ছক কষেছিলেন অজিত। দীর্ঘদিনের দূরত্ব মিটিয়ে কাকা শরদ পাওয়ারের এনসিপি গোষ্ঠীর সঙ্গে ফের মিলে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। এমনকি আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই মেগা জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সম্ভাবনা ছিল।
অজিত পাওয়ারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতা কিরণ গুজ্জর দাবি করেছেন, দুর্ঘটনার মাত্র পাঁচ দিন আগে পাওয়ার তাঁর সঙ্গে পুনর্মিলন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। শরদ পাওয়ার, সুপ্রিয়া সুলে এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের সাথে ইতিবাচক আলোচনাও সেরে ফেলেছিলেন তিনি। বারামতি তথা মহারাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ এনসিপি-র একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করেছিলেন অজিত। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে ফের কাকার হাত ধরাই ছিল তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য।
এই মৃত্যুর ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য নতুন করে ঘি ঢেলেছে বিতর্কে। মমতা দাবি করেছেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছিলাম বিজেপি শিবির ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অজিত, আর তার পরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল।” সাম্প্রতিক পুরভোটে বিজেপির হাত ছেড়ে কাকার দলের সঙ্গে লড়ার সিদ্ধান্ত এবং তলে তলে পুনর্মিলনের এই চিত্রনাট্যই কি দুর্ঘটনার নেপথ্যে কোনো ছক? বিমান দুর্ঘটনার ধোঁয়াশা না কাটতেই এনসিপি অন্দরের এই তথ্যগুলি এখন জাতীয় রাজনীতির প্রধান চর্চার বিষয়।