“কয়লা, বালি পাচারের মতো অবৈধ কাজ…?”-মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের পরই ‘অ্যাকশন’ শুরু পুলিশের

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারপর থেকে রাজ্য পুলিশে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা গিয়েছে।

বারাবনি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে অপেশাদার আচরণের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে।অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদেরও বদলি করা হয়েছে।লোহা পাচারের মামলায় দুর্গাপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।বালি, কয়লা, পাথর পাচার রুখতে নাকা চেকিং বাড়ানো হয়েছে।সিআইডি-কে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে গঠিত টাস্ক ফোর্সের কাজে আরও সক্রিয় করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশের একাংশ দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে, পুলিশের কিছু অংশ কয়লা, বালি পাচারের মতো অবৈধ কাজে জড়িত।

বিরোধী দলগুলি এই পদক্ষেপকে নির্বাচনের আগে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা বলে দাবি করেছে। তারা মনে করেন যে, মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র দুর্নীতির বিরুদ্ধে নয়, বরং তাঁর রাজনৈतिक প্রতিপক্ষদের দমন করার জন্য এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

সাধারণ মানুষ এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা মনে করেন যে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশের কার্যকলাপে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এটি দেখা যাবে যে, এই পরিবর্তন দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কতটা সফল হবে।