অম্বল-বদহজমে জীবন অতিষ্ঠ? গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের দিন শেষ, ঘরোয়া এই টোটকাতেই মিলবে ম্যাজিকের মতো ফল!

বর্তমানের অনিয়মিত জীবনযাত্রা, ফাস্ট ফুডের প্রতি ঝোঁক এবং মানসিক চাপের কারণে ঘরে ঘরে এখন গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা এক নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য তেল-মশলাদার খাবার খেলেই বুক জ্বালা করা, টক ঢেকুর ওঠা কিংবা পেট ফাঁপার মতো সমস্যায় ভোগেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অনেকেই এই সমস্যা এড়াতে চটজলদি অ্যান্টাসিড বা নানা ধরনের ওষুধ খেয়ে সাময়িক স্বস্তি পান, কিন্তু চিকিৎসকদের মতে মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ খাওয়ার এই প্রবণতা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।
তাহলে কি এই যন্ত্রণার কোনো স্থায়ী সমাধান নেই? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলে এবং কিছু প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে চললে ওষুধের সাহায্য ছাড়াই অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জেনে নিন কোন সহজ অভ্যাসগুলি গড়ে তুলবেন:
সময়মতো ও পরিমিত আহার: দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা বা একসঙ্গে পেট পুরে খাবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। দিনে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ার অভ্যাস গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে দারুণ সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত জল পান করা: শরীর হাইড্রেটেড রাখলে হজমশক্তি উন্নত হয়। বিশেষ করে খাবার খাওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা আগে বা পরে জল খাওয়ার নিয়ম করুন।
খাবার ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া: তাড়াহুড়ো করে খাবার গিলবেন না। মুখের লালার সঙ্গে খাবার ভালোভাবে মিশলে তা পাকস্থলীতে সহজে হজম হয় এবং অম্বলের আশঙ্কা কমে।
হাঁটার অভ্যাস: রাতের খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিছানায় শুয়ে পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। খাওয়ার পর অন্তত ১০-১৫ মিনিট হালকা হাঁটাচলা করলে বদহজমের সমস্যা থেকে অনেকটাই দূরে থাকা যায়।
অ্যাসিডিটির এই চিরন্তন সমস্যা থেকে বাঁচতে ওষুধে ভরসা না রেখে আজ থেকেই নিজের খাদ্যাভ্যাস ও রুটিনে এই ছোট পরিবর্তনগুলো এনে দেখুন, ফল পাবেন হাতেনাতে।