বাড়িতে বড় বিপদ! ভুয়ো সাধুর মন্ত্ৰে মোহগ্রস্ত গৃহকর্তা, মা-মেয়ের চরম বুদ্ধিমত্তায় বানচাল সর্বস্ব লুটের ছক!

অন্ধবিশ্বাস এবং ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে সর্বস্ব লুটের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল (Kurnool) জেলার এমমিগানুর (Emmiganur) এলাকা থেকে। আধ্যাত্মিক শক্তি ও ঘরের ‘বড় বিপদ’ আসার ভয় দেখিয়ে এক গৃহকর্তাকে নিজেদের জালে ফেলেছিল এক ভণ্ড সাধু। তবে শেষরক্ষা হয়নি; বাড়ির মা ও মেয়ের সাহসিকতা এবং সময়োচিত বুদ্ধিমত্তায় ভেস্তে গেল সেই চোরের ভয়ঙ্কর লুটপাটের ছক।

ঠিক কী ঘটেছিল মিলিট্রি কলোনিতে?
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ভণ্ড বাবা বন্দরাম গত কয়েক দিন ধরেই মিলিট্রি কলোনি এলাকায় সাধুর বেশ ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এবং নিজেকে অলৌকিক শক্তির অধিকারী বলে দাবি করত। সেই সুযোগেই সে এলাকার এক সহজ-সরল বাড়ির মালিককে টার্গেট করে।

ঢोंগী বাবা বাড়ির মালিককে জানায় যে, তাঁর বাড়িতে মারাত্মক বাস্তু ও গ্রহদোষ রয়েছে। যদি অবিলম্বে বিশেষ পূজার ব্যবস্থা না করা হয়, তবে গোটা পরিবারের উপর কোনো এক বিশাল বিপদ নেমে আসবে। ওই ব্যক্তির সরলতার সুযোগ নিয়ে ভণ্ড বাবা তাঁর মনে তীব্র ভয় ধরিয়ে দেয় এবং পূজার নামে বাড়িতে প্রবেশ করে।

सम्मोहन ও লুটের ফন্দি
পূজার बहाने घर में घुसे फर्जी बाबा ने अपनी सम्मोहक बातों से मकान मालिक को अपने वश में कर लिया। उसका असली मकसद घर के सदस्यों का ध्यान भटकाकर नकदी, सोने-चांदी के गहने और कीमती सामान बटोरकर चंपत होना था। सम्मोहन के जाल में फंसे गृहस्वामी को समझ ही नहीं आया कि क्या हो रहा है।

মা-মেয়ের তৎপরতায় ফাঁস হল ভণ্ডামি
বাড়ির কর্তার অদ্ভুত আচরণ এবং ওই সাধুর নড়চড় সন্দেহজনক ঠেকতেই গভীর নজর রাখতে শুরু করেন বাড়ির মা ও কন্যা। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে এবং বিপদ আঁচ করতে পেরেই তাঁরা মুহূর্তের মধ্যে চেঁচামেচি শুরু করে দেন। মহিলাদের সেই চিৎকার ও হইচই শুনেই মুহূর্তের মধ্যে মোহগ্রস্ত অবস্থা থেকে স্বাভাবিক হয়ে যান গৃহকর্তা।

হঠাৎই আসল সত্য সামনে আসতেই পরিবারের লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং ওই ঢোঙ্গী বাবাকে ঘিরে ধরেন। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আশপাশের প্রতিবেশীরাও ছুটে আসেন। অবস্থা বেগতিক বুঝে এবং হাতেনাতে ধরা পড়ার ভয়ে কোনো রকমে সেখান থেকে চম্পট দেয় ভণ্ড বাবা বন্দরাম।

প্রশাসনের সতর্কবার্তা
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এর আগেও এই ঢোঙ্গী সাধু বিভিন্ন এলাকায় পুজো ও ভক্তির আড়ালে সাধারণ মানুষের বাড়ি থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে নেওয়ার ফন্দি কষেছে। এই ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে কড়া সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, কোনো রকম কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস কিংবা অজানা সাধু-বাবাদের কথায় অন্ধের মতো বিশ্বাস করে কেউ যেন নিজেদের বিপদে না ফেলেন। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই অবিলম্বে স্থানীয় থানায় খবর দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

Saheli Saha
  • Saheli Saha

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *