কালীপুজোয় ঠাকুর দেখার মহা সুযোগ! রাতভর মেট্রো চালনার বাম্পার ঘোষণা কর্তৃপক্ষের!

রাত পোহালেই আলো আর আনন্দের উৎসব কালীপুজো। বছরের এই বিশেষ দিনে শহরের বড় বড় নামী মণ্ডপগুলিতে ঠাকুর দেখতে দর্শনার্থীদের ঢল নামে রাজপথে। বিশেষ করে এবার পুজো রবিবারে পড়ায় মণ্ডপে মণ্ডপে অতিরিক্ত ভিড় হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে যাতে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতে কোনো চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে না হয়, তার জন্য এক অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক ও বড় ঘোষণা করল কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। শহরের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান এবং ব্যস্ততম মাধ্যম কলকাতা মেট্রো দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আগামী ৮ নভেম্বর অতিরিক্ত পরিষেবা ও সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আগামী ৮ নভেম্বর ব্লু লাইন, গ্রীন লাইন এবং ইয়েলো লাইনে অন্যান্য সাধারণ দিনের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক মেট্রো পরিষেবা মিলবে। পুজোয় ঠাকুর দেখার ভিড় সামলাতে ব্লু লাইনে আপ ও ডাউন মিলিয়ে মোট ১৫২টি মেট্রো চালানো হবে, যার মধ্যে আপে ৭৬টি এবং ডাউনে ৭৬টি ট্রেন থাকবে। সকাল ৭টায় নোয়াপাড়া থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়বে শহীদ ক্ষুদিরামের উদ্দেশ্যে। অন্যদিকে, সকাল ৮টায় প্রথম মেট্রো ছাড়বে শহীদ ক্ষুদিরাম ও মহানায়ক উত্তমকুমার থেকে দক্ষিণেশ্বরের দিকে। একইভাবে দক্ষিণেশ্বর থেকেও সকাল ৮টাতেই প্রথম পরিষেবা শুরু হবে। রাতে ঠাকুর দেখে ফেরার জন্য সময়সীমা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। দক্ষিণেশ্বর থেকে শহীদ ক্ষুদিরামগামী শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে। আবার শহীদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং দক্ষিণেশ্বর থেকে মহানায়ক উত্তমকুমারগামী শেষ মেট্রো দুটিই ছাড়বে রাত ১১টায়।
অন্যদিকে, গ্রিন লাইনে সাধারণ দিনে যেখানে ১১১টি ট্রেন চলে, সেখানে ৮ নভেম্বর আপ ও ডাউন মিলিয়ে মোট ১২৩টি মেট্রো চালানো হবে। সকাল ৮টায় হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের উদ্দেশ্যে প্রথম মেট্রো রওনা দেবে। রাতে দুই প্রান্ত থেকেই শেষ মেট্রোর সময়সীমা বাড়িয়ে রাত ১১টা করা হয়েছে। পাশাপাশি, নবনির্মিত ইয়েলো লাইনেও মিলবে বাড়তি সুবিধা। এই লাইনে আপ ও ডাউন মিলিয়ে মোট ৭৮টি ট্রেন চালানো হবে। সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে এই লাইনে প্রথম মেট্রো চলবে। রাত্রে নোয়াপাড়া থেকে জয় হিন্দ বিমানবন্দরগামী শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ৯টায় এবং জয় হিন্দ বিমানবন্দর থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে নোয়াপাড়ার উদ্দেশ্যে শেষ পরিষেবা মিলবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের এই অভিনব উদ্যোগে অত্যন্ত আনন্দিত শহরবাসী।