“জীবনে প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না”-রাহুলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কটাক্ষ অমিত শাহের

ল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের হাইভোল্টেজ সভা এবং মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে আয়োজিত ‘মক পার্লামেন্ট’-কে কেন্দ্র করে তুঙ্গে উঠল বিজেপি ও কংগ্রেসের দ্বৈরথ। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “জীবনেও কোনোদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না রাহুল গান্ধী।”

“গত ১৫ বছর ধরে দেশের একের পর এক নির্বাচনে হারছেন। আপনারা যদি সংসদে বাধা দেওয়া এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোকেই নীতি বানান, তবে আগামী ৫ বছর বিরোধীতে বসার প্রস্তুতি নিন। প্রধানমন্ত্রী হতে চাইলে সারা জীবন মক পার্লামেন্টেই বসে থাকুন।”

— অমিত শাহ (চণ্ডীগড়ে বক্তব্যকালে)

রবিবার রামলীলা ময়দানের বিরাট সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী সরাসরি নিশানা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। ইভিএম কারচুপি ও ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১১.৫৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে রাহুল বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে শুধু ইমপিচ করলেই চলবে না, তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার ধারায় আইনি মামলা চালানো উচিত।” কংগ্রেস সভাপতির বাসভবনে মক পার্লামেন্ট অধিবেশনে সোনিয়া ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর উপস্থিতিতেও মোদী-শাহের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগ তোলা হয়।

এরই জবাবে চণ্ডীগড় পুলিশের হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে অমিত শাহ বিরোধীদের সময়জ্ঞান ও নীতি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। শাহ মনে করিয়ে দেন, ১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর ছিল শিখবিরোধী দাঙ্গার অন্যতম কালো দিন। এই অভিশপ্ত দিনটিতে বিরোধীরা কেন উল্লাসে রাজনৈতিক সমাবেশ করল, তা নিয়ে তোপ দাগেন তিনি।

পাশাপাশি দিল্লির ব্যবসায়ীদের অনুরোধ উপেক্ষা করে উৎসবের মরশুমে কেন এই সমাবেশ করা হলো, সেই প্রশ্নও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, সংসদে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের যে ঐতিহাসিক বিল পাস হয়েছে, বিরোধীরা গোলমাল পাকিয়ে তার বাস্তবায়নেও প্রতিনিয়ত বাধা তৈরি করছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *