এসএফআই অফিসে আচমকা দিল্লি পুলিশের হানা! “চা-বিস্কুট খাওয়াতাম”, পুলিশকে নিয়ে কী চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন সৃজন?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চলা আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির রাজপথ। এই বিরোধী আন্দোলনে সমস্ত ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনগুলিকে এক মঞ্চে এনে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে এক বিশাল কর্মসূচির ডাক দিয়েছে SFI। তবে এই মেগা প্রতিবাদের ঠিক প্রাক্কালেই চরম নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজধানীতে।

দিল্লিতে এসএফআই-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অফিসে আচমকা দিল্লি পুলিশ হানা দিয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এসএফআই নেতা সৃজন ভট্টাচার্য।

এসএফআই অফিসে পুলিশি হানা নিয়ে কী বললেন সৃজন?
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এক ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে ক্ষোভ উগরে দেন সৃজন ভট্টাচার্য। তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, “দিল্লিতে এসএফআই কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অফিসে পুলিশের হানা! হঠাৎ খোঁজ নিতে এল, কারা আছে, কতজন যাবে, আগামী ১০ তারিখ কী হবে? এসএফআই কেন যাবে? দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি তখন অফিসে ছিলাম না। যদি থাকতাম, দিল্লি পুলিশকে আমন্ত্রণ জানাতাম, চা-বিস্কুট খাওয়াতাম। বোঝাতাম যে এই আন্দোলন আসলে আপনাদেরও ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই।” পুলিশ পাঠিয়ে এসএফআই-এর আন্দোলন দমানো যাবে না বলে স্পষ্ট হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেন, “যিনি এমনটা ভাবছেন, তিনি মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। ছাত্ররা তাদের ভোটাধিকার বাঁচাতে ১০ তারিখে যন্তর মন্তরে যাবেই।”

ইন্ডিয়া শিবিরের বাইরেও বৃহত্তর ঐক্যের ডাক:
সিপিএম সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির পথ অনুসরণ করে এসএফআই ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির পাশাপাশি তার বাইরের অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলিকেও এই আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এর আগে বিক্ষোভকারীদের আটকের পর ফের রাস্তায় নেমে আন্দোলনের হুংকার দিয়েছেন AISA সভাপতি নেহা বোরাহ। দিল্লির এই উত্তাল বিক্ষোভে এসএফআই ও আইসা-র পাশাপাশি সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাতসহ বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও সংহতি জানিয়েছেন। সবমিলিয়ে, নির্বাচন কমিশন বিরোধী এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আগামী ১০ তারিখের যন্তর মন্তরের কর্মসূচি ঘিরে এখন থেকেই পারদ চড়তে শুরু করেছে জাতীয় রাজনীতিতে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *