বিজেপিতে নতুন গুরুদায়িত্ব পেয়েই মহাগুরুর হুঙ্কার! শুভেন্দুকে নিয়ে কী এমন বার্তা দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী?

পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে আবারও নতুন চমক মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীর। ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র অভ্যন্তরে নতুন এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পেতেই রাজকীয় মেজাজে ধরা দিলেন প্রবীণ এই তারকা-রাজনীতিবিদ। দলীয় দায়িত্ব হাতে পাওয়ার পরেই তাঁর কড়া ও চাঁচাছোলা হুঙ্কারে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।
একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং পদ্মশিবিরের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে একটি বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি।
নতুন দায়িত্ব ও মিঠুনের মারকাটারি মেজাজ
বিজেপি নেতৃত্বের তরফে মিঠুন চক্রবর্তীকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দায়িত্ব দেওয়ার পরেই রাজ্য রাজনীতির আকাশে পারদ চড়তে শুরু করেছে। দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করতে এবং দলের সংগঠনকে আরও শক্তপোক্ত করতে নিজের চিরাচরিত সংলাপের স্টাইলেই বার্তা দিয়েছেন মিঠুন।
তিনি স্পষ্ট জানান, দল তাঁকে যে বিশ্বাস ও দায়িত্ব দিয়েছে, তা তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন। রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ থেকে শুরু করে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কাজে তাঁর ভূমিকা আরও দৃশ্যমান হতে চলেছে।
“রাজনৈতিক ময়দানে কীভাবে লড়াই করতে হয় তা আমার জানা আছে। দলের প্রতি এবং বঙ্গবাসীর প্রতি আমার দায়বদ্ধতা থেকে পিছপা হব না।” — স্পষ্ট জানান মিঠুন।
শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কেও মন্তব্য করেন মিঠুন চক্রবর্তী। বঙ্গ বিজেপির লড়াইয়ে শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা এবং তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের প্রশংসা করার পাশাপাশি, একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি।
-
সংগঠনে মেলবন্ধন: শুভেন্দু অধিকারীর সুসংগঠিত নেতৃত্ব এবং মিঠুন চক্রবর্তীর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যজুড়ে এক নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি করতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।
-
তৃণমূলকে কড়া বার্তা: নতুন পদ পেয়েই শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের নীতি ও প্রশাসনিক ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর দাবি, রাজ্যের মানুষ পরিবর্তন চাইছে এবং বিজেপিই সেই বিকল্প তৈরি করবে।
মহাগুরুর এই নতুন ভূমিকায় আগমন এবং শুভেন্দুর সঙ্গে জোড়া ফলায় বিজেপির এই আগ্রাসী কৌশল বঙ্গ রাজনীতিকে আগামী দিনে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটাই দেখার।