স্কুলের বাসে বন্ধুরা দিল পাহারা, লুকিয়ে প্রথম চুমু! অঙ্কুশের রোমান্টিক সিক্রেট ফাঁস হতেই ঐন্দ্রিলা দিলেন চরম হুঁশিয়ারি

টলিউডের অন্যতম হ্যান্ডসাম হাঙ্ক এবং জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা মানেই পর্দায় ও পর্দার বাইরে ভরপুর মস্তি আর হাসিখুশি মেজাজ। অভিনয়ের পাশাপাশি সফল প্রযোজক এবং জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো-র সঞ্চালক হিসেবেও তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ব্যক্তিগত জীবনে অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেম টলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত বিষয়। ঠিক এরই মাঝে চিরচেনা এই রোম্যান্টিক নায়ককে পাওয়া গেল একেবারে অন্য মেজাজে। একটি সংবাদমাধ্যমের পডকাস্টে এসে নিজের জীবনের প্রথম প্রেম ও প্রথম চুমুর গোপন কথা নিয়ে এক্কেবারে খুল্লমখুল্লা আড্ডা দিলেন অঙ্কুশ।

স্কুলবাসের সেই মিষ্টি প্রেম ও প্রথম চুমুর স্মৃতি
স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে আসা সেই নস্ট্যালজিক দিনে ফিরে গিয়ে অভিনেতা জানান, তাঁর জীবনের প্রথম প্রেম শুরু হয়েছিল ক্লাস নাইনে। আর সেই প্রেম গড়ায় একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। তবে পরবর্তীতে প্রথম প্রেমিকা স্কুল বদল করে ফেলায় সেই মিষ্টি প্রেমের গল্পের সেখানেই ইতি ঘটে।

আর সেই প্রথম প্রেমিকার সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে জীবনের প্রথম চুমুর অমলিন স্মৃতি। অতীতের সেই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে অঙ্কুশ বলেন, “উফফ সে একটা দিন ছিল। এখনও মনে আছে। আমরা স্কুল বাসে বসে। আর চারপাশে আমার বন্ধুরা গার্ড করে রয়েছে, যাতে কেউ দেখতে না পারে। অদ্ভুত একটা ফিলিং। প্রেমিকাকে পাশে বসিয়ে, লুকিয়ে গালে হালকা করে ঠোঁটটা ছুঁয়ে দিলাম। এভাবেই প্রথম চুমুটা খেয়েছিলাম। আর মেয়েটা? চুমু খেতেই লজ্জায় একেবারে লাল হয়ে গুটিয়ে গেল! আমার মনে আছে, আমি চুমু খাব, তার জন্য বন্ধুরা খুব সাহায্য করেছিল।”

একটু হালকা হেসে অঙ্কুশ আরও বলেন, সেই সময় একটা চুমু খাওয়ার পর তা তিন দিন ধরে মাথায় ঘুরে বেড়াত। সেই স্মৃতি চেরিশ করতেন তাঁরা। তার ওপর সঙ্গে ছিল প্রেমিকার সেই বাধাধরা নিষেধ, টানা সাত দিন আর কোনো চুমু খাওয়া যাবে না! কারণ চুমুর কোটা তখনই কমপ্লিট। বর্তমানের ব্যস্ত এবং যান্ত্রিক জীবনযাত্রার সঙ্গে ফেলে আসা সেই সরল সময়ের তুলনা টেনে মজার ছলে অভিনেতা বলেন, “এখন তো চুমু খাওয়াটা ব্রেকফাস্ট খাওয়ার মতো স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে! আর চুমু খাওয়ার জায়গাও তো এখন পুরোপুরি বদলে গিয়েছে।”

ঐন্দ্রিলার কড়া হুঁশিয়ারি
অঙ্কুশের এই প্রথম চুমুর অজানা গল্প ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেনের কানেও। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েই অঙ্কুশকে সোজাসাপ্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঐন্দ্রিলা। স্পষ্ট কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলে দিয়েছেন, “বাড়ি ফিরে মজা দেখাচ্ছি! যে বন্ধুদের সাহায্যে এটা ঘটেছে, তাঁদের কপালেও দারুণ দুঃখ আছে।” সবমিলিয়ে অঙ্কুশের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *