‘ওকে সোজা পাগলাগারদে পাঠানো উচিত!’ নেটপাড়ার কুরুচিকর ট্রোলে কীভাবে মোক্ষম জবাব দিলেন ইন্দ্রাণী হালদার?

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে তারকাদের ট্রোল হওয়া বা নীতিপুলিশির মুখে পড়া এখন জলভাত। একটু ছকভাঙা কথা বা খোলামেলা মেজাজ দেখলেই সোশ্যাল মিডিয়ার পাতা ভরে ওঠে নেতিবাচক মন্তব্যের পাহাড়ে। তবে এই সমস্ত কুরুচিকর কটাক্ষ ও ট্রোলিংকে যে তিনি এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিতে পারেন, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার। নেটিজেনদের সমালোচকদের নিজস্ব ভঙ্গিতে জবাব দিয়ে ট্রোলিংকেই যেন স্রেফ কৌতুকের স্তরে নামিয়ে আনলেন তিনি।
ট্রোলারদের নিয়ে যা বললেন ইন্দ্রাণী
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের মজার অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। নেটপাড়ার ট্রোলাররা তাঁকে কীভাবে বিচার করেন, তা বলতে গিয়ে হাসিতে গড়িয়ে পড়েন তিনি। ইন্দ্রাণীর কথায়, “একটু মজা করে কথা বলছি বলেই হয়তো লোকে ভাবছে পাগলামো! অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন— ‘উনি পুরো পাগল হয়ে গেছেন, ওনাকে পাগলাগারদে পাঠানো উচিত!’ আবার কেউ কেউ তো এক ধাপ এগিয়ে লেখেন— ‘ইশ! লোকটা কত ভালো ছিল, চলে গেল আর কি!’”
ট্রোলারদের এই ধরনের আজব ও কুরুচিকর মন্তব্যের রসিকতা ভরা জবাব দিয়ে অভিনেত্রী সংযোজন করেন, “আমি তো এখনো মরিনি, বহাল তবিয়তে বেঁচে আছি! আর মাথা খারাপ হওয়ার কথা বলছেন? আমার মাথাটা তো অনেক দিন আগেই গেছে!”
গান গাইতে গিয়েও রাখঢাক নেই
সাক্ষাৎকার দেওয়ার ফাঁকে নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় হাতে চুড়ি পরে একটি জনপ্রিয় গানও গাইতে শুরু করেছিলেন ইন্দ্রাণী। কিন্তু কয়েক কলি গেয়েই হঠাৎ থেমে যান তিনি। এরপর মুচকি হেসে রসিকতা করে বলেন, “না না, আর গাইব না, শেষমেশ ভাইরাল হয়ে যাব!”
একের পর এক হিট ধারাবাহিক ও চলচ্চিত্রে নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দেওয়া ইন্দ্রাণী হালদার এই ঘটনার মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন যে, কুৎসা বা ট্রোলিংকে গায়ে না মেখে নিজের শর্তে হাসিমুখে বাঁচাই হলো সমালোচকদের সেরা জবাব।