২০ বছর পর ফের ট্রফি জয়ের হাতছানি! হংকং সিক্সেসে ভারতের অধিনায়ক কে? জেনে নিন মেগা স্কোয়াডের নাম

আসন্ন হংকং সিক্সেস ২০২৬ (Hong Kong Sixes 2026) টুর্নামেন্টের জন্য শক্তিশালী দল ঘোষণা করল ভারত। আগামী ৩০ অক্টোবর ২০২৬ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতা চলবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত। হংকংয়ের টিন কোয়াং রোড রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ড এবং মিশন রোড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডসহ মোট ১২টি আন্তর্জাতিক দল অংশ নেবে। ৩০ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া ও হংকংয়ের মধ্যকার ম্যাচের মধ্য দিয়ে এই টুর্নামেন্টের পর্দা উঠবে।

ভারতের স্কোয়াড ও অতীত ইতিহাস
আসন্ন টুর্নামেন্টের জন্য ভারতীয় দলে বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। স্কোয়াডে ক্রুনাল পান্ডিয়া এবং নীতীশ রানার পাশাপাশি রাখা হয়েছে বিস্ফোরক ব্যাটার শশাঙ্ক সিংকে। এছাড়া টি নটরাজন, রাহুল তেवतिया এবং রাহুল ত্রিপাঠীর মতো তারকারাও এই দলের অংশ হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় ভারত এই হংকং সিক্সেস ট্রফি জিতেছে মাত্র একবারই। ২০০५ সালে রবিন সিংয়ের অধিনত্বে ভারত প্রথমবার এই খেতাব অর্জন করেছিল। এছাড়া ১৯৯২ ও ১৯৯৬ সালে ফাইনালে উঠলেও রানার্স আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল টিম ইন্ডিয়াকে। দীর্ঘ ২১ বছর পর ফের সেই পুরনো গৌরব ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই নামছে ভারতীয় দল।

হংকং সিক্সেসের কিছু আকর্ষণীয় ও ভিন্নধর্মী নিয়ম
স্বল্প ওভার ও দ্রুত গতির এই টুর্নামেন্টের নিয়মাবলী ক্রিকেট প্রেমীদের সবসময়ই আলাদা আকর্ষণ যোগ করে:

খেলোয়াড় ও ওভার: প্রতিটি দলে মাত্র ৬ জন করে খেলোয়াড় অংশ নেন এবং প্রতি ইনিংসে ওভারের সংখ্যা থাকে মোটে ৬টি।

বোলিং বিধি: উইকেটকিপার ছাড়া বাকি ৫ জন বোলারকেই বল করতে হয়। একজন বোলার সর্বোচ্চ ২ ওভার করতে পারেন, তবে তা কখনোই টানা দুই ওভারে করা যায় না।

ব্যাটসম্যানদের নিয়ম: কোনো ব্যাটার ব্যক্তিগতভাবে অর্ধশতরান (৫০ রান) করলেই তাকে বাধ্যতামূলকভাবে ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। তবে দলের বাকি ব্যাটাররা আউট হলে তিনি আবার ক্রিজে ফিরে আসতে পারেন। দল অলআউট হয় ৫ উইকেট পড়লে এবং শেষ ব্যাটার একা একাই লড়াই চালিয়ে যেতে পারেন।

ম্যাচ সময়কাল: প্রতিটি ম্যাচ মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। এছাড়া ওয়াইড বা নো বলের জন্য অতিরিক্ত রান দেওয়া হলেও নো বলে কোনো ‘ফ্রি হিট’ পাওয়া যায় না।

এবারের টুর্নামেন্টে ১২টি দলকে ৪টি ভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি গ্রুপে ৩টি করে দল একে অপরের বিরুদ্ধে লড়বে এবং শীর্ষ দুটি দল নকআউট পর্বে প্রবেশ করবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *