ব্রোম্যান্সে ভাঙন নাকি নতুন চাল! জীতুকে নিয়ে হঠাৎ কেন এমন মারাত্মক সন্দেহ জাগল রাজবীরের মনে?

‘বিগ বস বাংলা’ (Bigg Boss Bangla)-র ঘরের অন্দরে বন্ধুত্বের সমীকরণ বদলাতে খুব বেশি সময় লাগে না। ঘরের ভেতর জীতু ও রাজবীরের ‘ব্রোম্যান্স’ দর্শকদের দারুণ পছন্দ হলেও, সম্প্রতি তাঁদের এই বন্ধুত্বেই তৈরি হয়েছে ফাটল। জীতুকে নিয়ে এবার রাজবীরের মনে দানা বেঁধেছে তীব্র সন্দেহ। জীতু কি তবে পুরোটাই চাল হিসেবে ব্যবহার করছেন রাজবীরকে? এই প্রশ্ন এখন জোরালো হয়ে উঠেছে।
তনুশ্রী ও নন্দিনীর বিস্ফোরক অভিযোগ
রবিবারের হাই-ভোল্টেজ পর্বে তনুশ্রীকে দেখা যায় রাজবীরের সঙ্গে এই নিয়ে একান্তে আলোচনা করতে। রাজবীরকে তনুশ্রী সাফ জানিয়ে দেন যে জীতুর গোটা আচরণই তাঁর কাছে ভীষণভাবে ‘ফেক’ বা কৃত্রিম বলে মনে হয়। তনুশ্রীর কথা সমর্থন করে রাজবীরও স্বীকার করেন যে, মাঝে মাঝে তাঁর নিজেরও জীতুকে আর অন্ধের মতো বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না। আগামী টাস্কে জীতুর প্রতিটি গতিবিধির ওপর কড়া নজরদারি চালাবেন বলেও জানান তিনি।
এর আগে নন্দিনীও জীতুকে নিয়ে রাজবীরের মনে সন্দেহের বীজ বুনে দিয়েছিলেন। নন্দিনীর দাবি ছিল, জীতু মনেপ্রাণে রাজবীরকে নিজের ভাই বলে মানে না, বরং এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে এক গভীর গেমপ্ল্যান! সেসময় নন্দিনীর কথা মানতে অস্বীকার করায় তাঁদের মধ্যে তুমুল ঝগড়াও হয়েছিল।
জীতুর জন্য নন্দিনীকে ফেরানো এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন
তীব্র সেই বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নন্দিনী রাজবীরকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি যদি জীতুর সঙ্গে থাকেন তবে যেন নন্দিনীর সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক রাখেন না। সোজা কথায়, জীতু ও নন্দিনীর মধ্যে যেকোনো একজনকে বেছে নিতে বলা হয়েছিল রাজবীরকে। কিন্তু রাজবীর এক বাক্যে জানিয়ে দেন যে তিনি কোনো একজনকে বেছে নেবেন না এবং নন্দিনীর জন্য তিনি কিছুতেই জীতুকে ছাড়তে পারবেন না।
রাজবীরের এই কথা শুনে চরম আঘাত পান নন্দিনী এবং তাঁর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও পরবর্তীতে তাঁদের মধ্যে বরফ গলে এবং আগের মতো মিল হয়ে যায়। কিন্তু রবিবারের এপিসোডের পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— তনুশ্রীর কথায় কান দিয়ে এবার কি তবে জীতুকে নিয়ে স্থায়ী সন্দেহ পুষে রাখবেন রাজবীর? কোন দিকে মোড় নেবে এই ত্রিমুখী সম্পর্ক? উত্তরের অপেক্ষায় গোটা দর্শক মহল।