আপনার রাশির সঙ্গে কোন ধাতুর ভাগ্য জড়িয়ে রয়েছে জানেন কি? সোনা না রুপো—কোন গয়না আনবে সৌভাগ্য?

সাজগোজের জন্য কারও পছন্দ ঝকঝকে সোনার গয়না, আবার কেউ রুপোর ছিমছাম অলঙ্কার পরতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনার জন্মরাশি অনুযায়ী নির্দিষ্ট ধাতু ধারণ করলে জীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে? জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, গ্রহ ও নক্ষত্রের অবস্থানের সঙ্গে জীবনের ওঠাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধাতুরও এক গভীর যোগ রয়েছে। কোন রাশির জন্য কোন ধাতু পরা সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়, জেনে নিন বিস্তারিত।
কোন ধাতুর সঙ্গে কোন গ্রহের সম্পর্ক?
জ্যোতিষ মতে, সোনা, রুপো, তামা বা লোহার মতো বিভিন্ন ধাতুর সঙ্গে আলাদা আলাদা গ্রহের সংযোগ রয়েছে। যেমন—সোনার সঙ্গে বৃহস্পতি এবং রুপোর সঙ্গে চন্দ্রের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তবে সবার জন্য সব ধাতু সমান ফলদায়ী নাও হতে পারে, এর জন্য জন্মছক বিচারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবুও সাধারণ রাশিচক্রের নিরিখে কোন রাশির জন্য কোন ধাতু শুভ, তার একটি ধারণা দেওয়া হলো:
মেষ ও বৃশ্চিক রাশি: এই দুই রাশির অধিপতি মঙ্গল গ্রহ। তামার সঙ্গে মঙ্গলের গভীর সম্পর্ক থাকায়, এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য তামা ধারণ করা অত্যন্ত শুভ।
বৃষ ও তুলা রাশি: এই রাশির অধিপতি শুক্র। সৌন্দর্য ও বিলাসিতার কারক এই গ্রহের প্রভাবে বৃষ ও তুলা রাশির জাতকদের জন্য সোনা এবং রুপো—উভয় ধাতুই দারুণ ফল দেয়।
মিথুন ও কন্যা রাশি: বুধের অধীত্বাধীন এই দুই রাশির জন্য জ্যোতিষীদের মতে তামা বা সোনা পরা বেশ শুভ বলে বিবেচিত হয়।
কর্কট রাশি: কর্কটের অধিপতি চন্দ্র। চাঁদের সঙ্গে রুপোর নিবিড় যোগ থাকায় এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য রুপোকে সবসময়ই অত্যন্ত শুভ ধাতু হিসেবে ধরা হয়।
সিংহ রাশি: সূর্যের অধিপতি সিংহ রাশির জাতকদের জন্য সোনা ধারণ করা সবচেয়ে বেশি লাভদায়ক। সূর্যের মতো তেজ ও সাফল্য পেতে তাঁরা সোনার গয়না পরতে পারেন।
ধনু ও মীন রাশি: এই দুই রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। বৃহস্পতির সঙ্গে সোনার সরাসরি সম্পর্ক থাকায় ধনু ও মীন রাশির মানুষদের সবসময় সোনার গয়না পরার পরামর্শ দেওয়া হয়।
মকর ও কুম্ভ রাশি: শনি গ্রহের অধীনস্থ এই দুই রাশির জাতকদের জন্য লোহা অত্যন্ত শুভ বলে গণ্য করা হয়।
(বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে দেওয়া সমস্ত তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষশাস্ত্র ও প্রচলিত ধারণার ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ব্যক্তিগত জীবনে যেকোনো নিয়ম প্রয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ বা জ্যোতিষীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।)