‘টিকিট কাটিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছ? রেজিনগরের মানুষ ব্যালটে জবাব দেবে!’ হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার

নওদার বিধায়ক তথা এজুপ (AJUP) নেতা হুমায়ুন কবীরের করা মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র ঝড় বয়ে চলেছে। এক রাজনৈতিক সভায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত মৃত্যুর জন্য ‘উপরওয়ালার কাছে টিকিট কেটে দেওয়ার’ প্রার্থনা করার কথা বলে চরম বিতর্কে জড়ান হুমায়ুন। আর এই মন্তব্যের পরেই তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

হুমায়ুনের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, হুমায়ুন কবীর বরাবরই ভেদাভেদের রাজনীতি এবং নেগেটিভ বা ধ্বংসাত্মক রাজনীতি করে এসেছেন। শুধু হুমায়ুনই নন, এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নীতিকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার সাফ কথা, হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতি করে আর লাভ হবে না। ২০২৬-এর নির্বাচনে মানুষ যেমন রায় দিয়েছে, তেমনই আসছে উপনির্বাচনেও রেজিনগরের মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে এর যোগ্য জবাব দেবে। এফআইআর তো হতেই পারে, কিন্তু শেষ কথা বলবে বাংলার জনগণই।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার আরও কড়া ভাষায় তোপ দেগে বলেন, “শকুনের অভিশাপে গরু মরে না, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কেশাগ্রও কেউ স্পর্শ করতে পারবে না।” অন্যদিকে, কুণাল ঘোষসহ শাসক শিবিরের অন্যান্য নেতারাও এই ধরনের মন্তব্যের দায় এড়িয়ে হুমায়ুনের নাটকীয় আচরণকে পাত্তায় নারাজ বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে, হুমায়ুনের এই বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ এখন চরমে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *