স্বামীই সাজিয়েছিল খুনের ছক! দিনেদুপুরে বিজেপি নেতা হত্যাকাণ্ডে মহিলা কাউন্সিলরের গ্রেফতারিতে থমকে গেল শহর!

বিহারের ভাগলপুরে চাঞ্চল্যকর বিজেপি নেতা উমা ভূষণ তা্তি (Uma Bhushan Tanti) হত্যাকাণ্ডে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ ও বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। এই হাই-প্রোফাইল খুনের ঘটনায় পুলিশ ভাগলপুর পৌর निगमের ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর দীপিকা কুমারীকে প্রধান ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে গ্রেফতার করেছে। প্রযুক্তিগত তদন্ত এবং বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে খুনের নেপথ্যে তাঁর প্রত্যক্ষ যোগসূত্র পাওয়ার পরই এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সেরে তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে জেলে পাঠানো হয়েছে।
কী কারণে এই খুন?
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল মূলে রয়েছে কুতুবগঞ্জস্থিত কালী মাতা মন্দির এবং মহাদেব পুকুরের দখল ও আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিনের বিবাদ। নিহত উমা ভূষণ তা্তির তদারকিতেই ওই মন্দিরের নির্মাণ কাজ চলছিল। অভিযোগ, এই বিষয়টিতে চরম আপত্তি ছিল প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা প্রাক্তন বিজেপি মণ্ডল সভাপতি শশী মোদীর।
তদন্তে প্রকাশ, মন্দির নির্মাণ ও পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতেই শশী মোদী ও তার ভাগ্নে কৃষ্ণা মোদী এর আগেও উমা ভূষণ তা্তিকে একাধিকবার প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল। পরবর্তীতে সেই আক্রোশ থেকেই এই ঠাণ্ডা মাথার খুন সংঘটিত হয় বলে অভিযোগ।
পলাতক মূল অভিযুক্ত
ঘটনার পর থেকেই মূল অভিযুক্ত শশী মোদী, তার ভাগ্নে কৃষ্ণা মোদী এবং এক অজ্ঞাতপরিচয় শুটার এখনও পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে বিহার পুলিশের একাধিক টিম সম্ভাব্য সমস্ত জায়গায় লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে। এসএসপি প্রমোদ কুমার যাদব এবং সিটি এসপি অতুলেশ ঝা-র সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই মামলার তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই বাকি অভিযুক্তদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।