রাজবীরের ইশারায় স্যানিটারি প্যাড মাটিতে ছুঁড়লেন জয়িতা! বিগ বসের ঘরে যা ঘটল, লজ্জায় মাথা কাটা গেল সকলের

বিগ বস বাংলার অন্দরে রাজবীর দে পা রাখার পর থেকেই বদলে গেছে পুরো খেলার সমীকরণ। ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি নিয়ে এসেই তিনি জয়িতা চ্যাটার্জিকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করছেন এবং ম্যানিপুলেট করছেন— এমন গুঞ্জন শুরু থেকেই ছিল। তবে এবার যা ঘটল, তাতে শোয়ের বাকি প্রতিযোগীদের পাশাপাশি দর্শকরাও হতবাক।
সাম্প্রতিক একটি ক্যাপ্টেন্সি টাস্কে তনুশ্রী, নন্দিনী ও ভরত কলকে বন্দি রাখা হয়েছিল বাঘের খাঁচায়। তনুশ্রীকে প্রতিযোগীতা থেকে ডিসকোয়ালিফাই করতে একটি সুদূরপ্রসারী ফন্দি আঁটেন রাজবীর। তিনি জয়িতাকে নির্দেশ দেন, তনুশ্রীর ব্যক্তিগত জিনিসপত্র এনে সরাসরি মাটিতে ফেলে দিতে। বাকি দায়িত্ব তিনি নিজে সামলে নেবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজবীর তনুশ্রীকে গিয়ে জানান যে জয়িতা তাঁর ওপর ভীষণ ক্ষিপ্ত। জবাবে তনুশ্রী সাফ জানিয়ে দেন, তিনি কাউকে একটুও ভয় পান না। এই কথা শুনেই ক্ষোভের অভিনয় করতে করতে ঘরের ভেতরে ছুটে যান জয়িতা। এরপর তনুশ্রীর মেকআপ বক্স এবং স্যানিটারি প্যাড সবার সামনে এনে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলেন তিনি। সহ-প্রতিযোগী মনামী ঘোষ বাধা দিলেও তিনি থামেননি। এই কাণ্ড দেখে বাড়ির সকলে ছি ছি করে ওঠেন। যদিও তনুশ্রী শক্ত হাতে পরিস্থিতি সামলে দেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এসব সস্তা কান্নাকাটি বা কূটকচালি করে তাঁকে দমানো যাবে না। শেষ পর্যন্ত রাজবীরের সেই প্ল্যান ভেস্তে যায়।
এরপর ঘরের বাকি সদস্যরা যখন জয়িতাকে একহাত নিচ্ছেন, ঠিক তখনই রাজবীর সবার সামনে স্বীকার করেন যে এটি পুরোটাই তাঁর প্ল্যান ছিল। এই সত্য প্রকাশ্যে আসার পর সৃজলা ও মনামী জয়িতাকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে রাজবীর তাঁকে ব্যবহার করছেন এবং হাতের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। কিন্তু জয়িতা সেই সতর্কবার্তাকে সম্পূর্ণ পাত্তা দেন না। উল্টো কিছুক্ষণ পর তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘোষণা করেন যে, রাজবীরের জন্য তিনি এই শোয়ের ট্রফি পর্যন্ত হাসিমুখে ছেড়ে দিতে পারেন।
উল্লেখ্য, ৩০ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনায় চলা এই রিয়্যালিটি শোয়ে এবারে নজর কাড়ছেন দুর্নিবার সাহা, জয়িতা চ্যাটার্জি, ভরত কল, সোনামণি সাহা, তনুশ্রী রায় দাস, সায়ক চক্রবর্তী, মনামী ঘোষ, সৃজলা গুহ-সহ একঝাঁক তারকা। অনিন্দ্য সেনগুপ্তের বিদায়ের পর ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি হিসেবে রাজবীর আসায় ঘরে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে।