কৌশিকী অমাবস্যায় এই সহজ কয়েকটি কাজ করলেই দূর হবে সমস্ত বাধা! কী করবেন আজ?

সনাতন ধর্মে কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ আধ্যাত্মিক গুরুত্ব রয়েছে। দেবী কৌশিকী মূলত মহামায়ারই অন্যতম রূপ, যিনি পার্বতীর দেহকোষ থেকে আবির্ভূতা হয়েছিলেন। তন্ত্র ও শাস্ত্র মতে, ভাদ্র মাসের এই বিশেষ তিথিটি অন্য সব অমাবস্যার থেকে অনেকটাই আলাদা। বৌদ্ধ ও হিন্দু তন্ত্রে এই দিনটির এক বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। কথিত আছে, সাধক বামাখ্যাপা এই কৌশিকী অমাবস্যাতেই সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। তন্ত্রশাস্ত্র অনুযায়ী, আজকের দিনে বহু কঠিন ও গুপ্ত সাধনা করলে আশাতীত ফল মেলে। তাই এই অমাবস্যার রাতকে ‘তারা রাত্রি’ও বলা হয়ে থাকে।

জ্যোতিষী রাহুল দের মতে, এ বছর ১০ সেপ্টেম্বর কৌশিকী অমাবস্যার এই বিশেষ তিথিতে সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চললে এবং পুজো দিলে দেবী কৌশিকীর আশীর্বাদ সারাবছর বজায় থাকে। ভক্তদের জন্য তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী এই তিথিতে যে কাজগুলি করা অত্যন্ত শুভ:

গঙ্গাস্নান ও সূর্য বন্দনা: এই পবিত্র তিথিতে সকালে গঙ্গাস্নান করে সূর্য দেবতাকে প্রণাম করা উচিত।

উপবাস ও খাদ্যাভ্যাস: সম্ভব হলে এই দিন উপোস রাখা খুবই ভালো। তা না পারলে ভুলেও আমিষ খাবার খাওয়া যাবে না।

তারা মায়ের পুজো: মা তারা মায়ের চরণে সিঁদুর ও লাল রক্তজবা ফুল নিবেদন করুন।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলন: কৌশিকী অমাবস্যার সন্ধ্যায় বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারের সামনে দুটি তিলের তেলের প্রদীপ জ্বালান।

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: এই তিথি চলাকালীন ঘরে কোনো এঁটো বাসন ফেলে রাখবেন না। বাড়ি সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।

দানধ্যান: নিজের সাধ্যমতো দরিদ্র মানুষকে কিছু দান করুন।

জ্যোতিষ মতে, কৌশিকী অমাবস্যার এই নিয়মগুলি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করলে দেবী কৌশিকী প্রসন্ন হন। কথিত রয়েছে, এই তিথিতে উপবাস রেখে দেবীর আরাধনা করলে ভক্তের সমস্ত মনস্কামনা পূরণ হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *