প্রতীক না পেলে কি নির্দলেই লড়বে ঋতব্রত শিবির? উপনির্বাচন নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনা

আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিধানসভায় তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই কালীঘাটের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পৃথক শিবির তৈরি করেছেন মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মতো একসময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ নেতারা। নিজেদেরই ‘আসল তৃণমূল’ দাবি করে জোড়াফুল প্রতীকের ওপর অধিকারের লড়াইয়ে নেমেছে এই শিবির।

এমন পরিস্থিতিতে ‘ভাল তৃণমূল’ বা ঋতপন্থী নেতা মদন মিত্র জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি নিজে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে লড়াই করেন, তবে তাঁরা সেখানে কোনও প্রার্থী দেবেন না। অন্যদিকে, দলের অন্য এক নেতা আবু তাহেরও সুদিনের পর দুর্দিনে প্রার্থী হতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তবে প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানির মাঝেই আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যজুড়ে দুই আসনে উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটগণনা হবে ৯ সেপ্টেম্বর এবং মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর।

একই দলের নামে দুই পক্ষ মাঠে নামায় তৈরি হয়েছে জটিলতা। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্টে নির্বাচন কমিশনের তলবে দুই শিবিরের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসছেন। ওই দিনই ঠিক হবে কার হাতে থাকবে জোড়াফুলের আসল নিয়ন্ত্রণ। এদিকে ঋতব্রত শিবিরের স্পষ্ট বার্তা, প্রতীক না পেলে তাঁদের প্রার্থীরা শেষ পর্যন্ত নির্দল হিসেবেই লড়াইয়ের ময়দানে নামবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *